পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩৬২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


〉め〉e আলাওল - - বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় । যৌবনের মৰ্ম্ম জানে যার জীর্ণ কায় । স্বাস্থ্য-মৰ্ম্ম না জানে অস্বাস্থ্য যার গায় ॥ সুখ-মৰ্ম্ম দুঃখ বিনে না জানে রাজন। বন্ধ্যা জনে নাহি জানে প্রসব-বেদন ॥ অনেক অপার অতি প্রভুর করণ। কহিতে অকথ্য কথা না যায় বর্ণন ॥ সপ্ত মহী সপ্ত-স্বৰ্গ বৃক্ষ পত্র যত । সপ্ত শূন্ত ভরি যদি স্বজয় জগত ॥ যতবিধ নব গৃহ আর বৃক্ষ-শাখা। যত লোমাবলী আর যত পক্ষী-পাথা ॥ পৃথিবীর যত বেণু স্বর্গে যত তারা। জীব-জন্তু-শ্বাস আর বরিষার ধারা ॥ যুগে যুগে বসি যদি স্তুতি এ লেখয়। সহস্ৰ ভাগের এক ভাগ নাহি হয় (১) ॥ কবির আশ্রয়দাতা আরকান-রাজের প্রধান মন্ত্রী মামন ঠাকুরের উদ্দেশে । দূৰ্ব্বাদল-শুগম তনু মুখ-পূর্ণচন্দ। দেখিয়া মুহৃদজন-হৃদয়-আনন্দ ॥ স্বন্দর মগদ্যপাগ মস্তকে শোভিত। নবঘন জিনি যেন চন্দ্রমা উদিত ॥ দ্বিতীয়ার চন্দ্র জিনি ললাটে শ্রখণ্ড । ত্রিভঙ্গ-ভঙ্গিমা ভুরূ কামের কোদণ্ড ॥ গৃধিনী-নিন্দিত চারু শ্রবণ-যুগল। শুক-চঞ্চু জিনি ভাল নাসিক-কমল ৷ মৃদু-মন্দ-মধুর সুন্দর মুখ-হাসি। সুধারস-মিশ্রিত চপলা সুপ্রকাশ । - - (১) পৃথিবীর রেণু ও আকাশের নক্ষত্র ইত্যাদির যত সংখ্যা, যুগযুগান্তকাল বসিয়া ততবার ঈশ্বরের মহিমা কীৰ্ত্তন করিলেও সে মহিমার সহস্রাংশের একাংশও কীৰ্ত্তিত হইবে না।