পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৩৯৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিবিধ অনুবাদ–হরিবংশ-১৮শ শতাব্দীর প্রথম ভাগ । SD8(t নাসাঞ্জে শোভিছে তোর রম্য গজমতি । অরুণ-কিরণ যেন তেজঃপুঞ্জ অতি ॥ নয়ন-কমলে খেলে কটাক্ষ-বিভঙ্গ । পূৰ্ব্বে ছিল বনমধ্যে লজ্জায় কুরঙ্গ ॥ নয়ন-উপরে ভুরূ যেন কাল সাপ । কটাক্ষে সন্ধান করে কন্দপের চাপ ॥ ললাটে উজ্জ্বল করে সিন্দূরের ফোটা। শরতের স্বৰ্য্য যেন বিদ্যুতের ছটা ॥ চাচর চিকুর জিনি নাহি তার মূল । দোসারি গাথিয়া দিছে মালতীর ফুল ॥ তাহার সৌরভে অলি করে মধুপান। বেড়িছে পাটের জাদে আলির জোগান (১) ॥ মুকুতার হার গলে বড়ই শোভিত। সুরেশ্বরী দেখি তারে হইল লজ্জিত ॥ ভাল ভুজদণ্ড তোর কঙ্কণের সাজে। পঙ্কেত মৃণাল-দণ্ড প্রবেশিল লাজে ৷ কনক-দাড়িম্ব সম পীন পয়োধর । অমৃতের ধারা যেন খসে বৃহত্তর ॥ হেন মনে লয় তোরে প্রাণ দেই ঢালি । কে দিছে তোমারে হেন বিমল কাচলি ৷ করিছে বিবিধ চিত্র তার মাঝে লক্ষি । পূর্ণিমার শশী যেন তোর রূপ দেখি ৷ জলে প্রবেশিয়া কৈলু বেদের উদ্ধার। সেই মত কাঞ্চলিতে লিখিত মূসার ॥ কুৰ্ম্মরূপে পৃথিবী রাখিলুম পৃষ্ঠ-মাঝে। কীচুলীতে দশৰতারের সেইরূপ লিখিয়াছে কাঞ্চলির সাজে ৷ চিত্র - মেদিনী রাখিছি দন্তে বরাহ-আকারে । কাঞ্চলিতে দেখি তাহা তেমতি প্রকারে । নরসিংহ-রূপে হিরণ্য কৈলুম ক্ষয়। কাঞ্চলিতে ধর তুমি মনে নাহি ভয় ॥ পাতালে বামন-রূপে নিল রাজা বলি । সেই রূপে দীপ্তি করএ কাচলি ৷ (১) অলির জোগান=অলি-সংগ্ৰহ=অলিকুল। సిసి