পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বিবিধ–বোধেন্দু-বিকাশ–১৯শ শতাব্দীর মধ্যভাগ। গুণের কথা কি কহিব লাজের মাথা খেয়ে । আমি যেমন সব দফগতে তেমনি আমার মেয়ে ৷ যেমন মেয়ে তেমন বর আন গিয়া যেএ । যেমন হাড়ী তেমন শরা তা নইলে কি সাজে। অল্পবয়সি বরটা হবে দেখিতে চটক চাদ ৷ ঈশ্বর গুপ্তের বোধেন্দু-বিকাশ। সন্ন্যাসী-দর্শনে । ১২৭০ সালে ঈশ্বরচন্দ্র গুপ্ত-প্রণীত গদ্য-পদ্যময় “প্রবোধ চন্দ্রোদয়ের” অনুবাদ বোধেন্দু-বিকাশ নামক গ্রন্থ তীয় কনিষ্ঠ ভ্রাতা সংবাদ-প্রভাকরের সম্পাদক রামচন্দ্র গুপ্ত কর্তৃক প্রকাশিত হয়। কিন্তু ইহার পূর্বেই ইহার অনেকাংশ সংবাদ-প্রভাকরে প্রকাশিত হইয়াছিল। ঈশ্বর গুপ্ত সম্বন্ধে foss fool Histry of Bengali Language & Literature পুস্তকের ৭৫৮-৭৬৯ পৃষ্ঠায় দ্রষ্টব্য। বল হে সন্ন্যাসী তুমি কি কায করেছ। বগলে ভিক্ষার ঝুলি কি হেতু ধরেছ। ঘরে ঘরে ফের যদি ঘর-ছাড়া হোয়ে। ঘর ছেড়ে কিবা ফল থাক ঘর লয়ে ॥ পেট নিয়ে দ্বারে দ্বারে যদি গুণো হাপু। এমন সন্ন্যাসে তোর কাষ কি রে বাপু ॥ ঘর ছেড়ে ঘরে ঘরে ফিরিতে না হয়। অনাহারে দেহ যদি সমভাবে রয় ॥ তবে তো তপস্তা জানি মানি তোর ক্রিয়া । সকলেই ঘুরিতেছে পোড়া পেট নিয়া। সেই যদি খেতে হলো অন্ন আর জল । বল বল বল তবে সন্ন্যাসে কি ফল ৷ দেহ আছে থেটে খেয়ে ভোগ কর ক্রিয়া । কারে কাছে চেচাইওন পেটে হাত দিয়া ॥ >896: