পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৫৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কৃষ্ণচন্দ্রীয় যুগ—জয়নারায়ণ সেন–জন্ম ১৮শ শতাব্দীর পূর্বাৰ্দ্ধ। ১৪৮১ ইহাতে মুসার যত অগোচর কি। দ্রব্যজগত বিক্রীর নির্ভরে সবে জী ॥ মণিময় এক হার এক তলোয়ার। পাঠাইলে মোরে অদ্য বেচিতে বাজার ॥ তাহাতে প্রথমত দেখা অতি স্থপ্রভাতে। মনে যদি লয় তবে দেখুন সাক্ষাতে ॥ মনঃপূত দ্রব্য হইলে রাখান সরকারে । নহে ফিরাবেন কি দোষ আহারে ব্যভারে। (১) বস্তু উপযুক্ত হয় এমত সংসারের। মূল্য হওয়ারা (২) পাবো কায দলালের ॥ শুনি সদাগর হাসি হাত পসারিল (৩)। হলাহলময় হার হাতে হাতে দিল ॥ কাঠি (৪) হতে খুলিয়া তলোয়ার রাখে কাছে। যে তলোয়ারের ছটা জহরেতে ডুব্যে আছে। দেখি মাত্র ধনপতি হইল বিস্ময়। এমত অপূৰ্ব্ব দ্রব্য ভাগ্যেতে ঘটয় ॥ না দেখি এমত আর আমার বয়সে । কোন ভাগ্যে জানি মিলিল অনায়াসে ॥ চোরকেই ইসারা কৈল আসিতে অন্দরে। ধনীরামে কহিল কপাট দেও দ্বারে ॥ করিলে জিজ্ঞাসা চোরে কি নাম তোমার। কহিলেক সত্যরাম নাম অভাগার ॥ পুছিলেক কিবা মূল্য হইবে ইহার। বলিল পছন্দ নাকি পড়িল এ হার ॥ কহিল পছন্দ হৈল মূল্য যদি বলে। বলিব বনিব সেই যেইরূপে বলে ॥ (১) আহারে কোন দোষ নাই, সেইরূপ লোকের সঙ্গে ব্যবহার করিলেও দোষ নাই, অর্থাৎ দর-দস্তুর করিতে বাধা কি ? (২) প্রতি । (৩) পসারিল=প্রসারিত করিল। (৪) কাঠি=কোষ। >bペク