পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৫৮৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


প্রাচীন সঙ্গীত—রামপ্রসাদ–১৭১৮-১৮০৪ খৃঃ । SIII নিৰ্ব্বাণে কি আছে ফল জলেতে মিশায় জল ওরে চিনি হওয়া ভাল নয় মন চিনি খেতে ভালবাসি ॥ কৌতুকে প্রসাদ বলে করুণা-নিধির বলে ওরে চতুৰ্ব্বৰ্গ করতলে ভাবিলে রে এলোকেশী । ( ०१ ) মন রে কৃষি-কাৰ্য জান না। এমন মানব জমী রইল পতিত আবাদ কৈলে ফল তো সোণী ॥ কালী-নামে দেওরে বেড়া ফসলে তছরূপ হবে না। সে যে মুক্তকেশীর (মনরে আমার) শক্ত বেড়া তার কাছেতে যম ঘেসে না ৷ অদ্য অবদ শতান্তে বা বাজাপ্ত হবে জান না । আছে এক্তারে (১)মন এই বেলা তুই চুটিয়ে ফসল কেটে নে না। গুরু রোপণ করেছেন বীজ ভক্তিবারি তায় সেচ না ৷ ( ১৮ ) বল মা আমি দাড়াই কোথা । আমার কেহ নাই শঙ্করি হেথা ॥ মার সোহাগে বাপের আদর এ দৃষ্টান্ত যথা তথা। যে বাপ বিমাতাকে শিরে ধরে এমন বাপের ভরসা বৃথা ॥ তুমি না করিলে কৃপা যাব কি বিমাতা যথা । যদি বিমাতা আমায় করেন কোলে (২) দুরে যাবে মনের ব্যথা । প্রসাদ বলে এই কথা বেদাগমে আছে গাথা। ওমা যে জন তোমার নাম করে তার হাড়-মালা আর ঝুলি কঁথা ৷ ( ১৯ ) কেবল আসার আশা ভবে আসা আসা মাত্র সার হলো । যেমন চিত্রের পদ্মেতে পড়ে ভ্রমর ভুলে রলো ॥ মা নিম খাওয়াইলে চিনি ব’লে কথায় করে ছলো ওমা মিঠার লোভে তিত মুখে সারা দিনটা গেলো ॥ (১) অধিকারে । (২) যদি গঙ্গার জলে প্রাণ দিতে পারি।