পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৭২১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সহজিয়া-সাহিত্য—যুগলকিশোর দাস—১৮শ শতাব্দী। NNులి এই রসের যেই ধাতু সেই পাক হয়। পুনঃ পুনঃ যাতায়াত ভ্রমণ করয় ॥ গুরু-কৃপা হৈলে তবে হয় দিব্যজ্ঞান । কৃষ্ণদাস হৈলে তার হয় পরিত্রাণ ॥ মায়া পিশাচী তার পলাইবে দূরে। শুদ্ধসত্ত্ব ভক্তি তার হয় দিগোচরে ॥ যেই বস্তু অভাবেতে গন্ধ হয় দেহ (১)। তাতে বোধ হৈলে বুঝি গুরু-অনুগ্রহ ॥ কোন অবলম্বে জীব জন্মে আর মরে । কোন অবলম্বে জীব নানা যোনি ফিরে ॥ কোন অবলম্বে জীব দুঃখ শোক ভোগে। কোন অবলম্বে দেহ মৃত্যু কোন রোগে ৷ এই উপদেশ যদি গুরু-স্থানে পাই। নিতান্ত জানিহ তবে সংসার এড়াই ॥ যুগলকিশোর দাস ভাবএ অন্তরে। কি বেচিব কি কিনিব অর্থ নাহি ঘরে ॥ শ্ৰীস্নেহ-মঞ্জরীর পাদপদ্ম করি ধ্যান । সংক্ষেপে কহিল আত্ম-তত্ত্বের বিধান ॥ পিতৃধন থাকে যদি তবে তাহ পাই। নিতান্ত যাইতে হৈল সৰ্ব্বজ্ঞের ঠাঞি ॥ ইহা জিজ্ঞাসিতে চাই সৰ্ব্বজ্ঞের স্থানে । কোন স্থানে কোন ধাতু আছে বৰ্ত্তমানে ॥ এহ শুনি কেহো যদি করে এহো জ্ঞান । ইহাতে না হয় ভক্তি-তত্ত্বের সন্ধান ॥ এথে আমি কহি শুন না কর সংশয় । জ্ঞান জ্ঞেয়মান হৈলে অজ্ঞানতা যায় ॥ দীপ হস্তে করি যদি প্রবেশয় ঘরে । তিমির করিয়া ধ্বংস দীপ্তিমান করে ॥ (১) দেহ পচিয়া যায়।