পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮১০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ᎼᏄ☾ বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় । এই আদালতের কৰ্ম্ম অত্যাবশ্যক বটে কিন্তু তৎকৰ্ম্ম নিৰ্ব্বাহীর্থ কৌন্সেলী সাহেবের দের কিছু মাত্র অবকাশ নাই অতএব ইহাতে আমার পরামর্শ এই যে ঐ আদালতের রীতি পরিবর্তন হয় এবং গবরনর জেনরল ও কৌন্সেলী সাহেবেরা তথায় বৈঠক না করিয়া তাহ চিপ জষ্টিস সাহেবের অধীনে রাখা যায় এবং সুপ্রিম কোর্টে তিনি যে বেতন প্রাপ্ত হন তদতিরিক্ত পাচ হাজার টাকা মাসিক বেতন এবং ঘর ভাড়া বলিয়া আরো ছয় শত টাকা করিয়া মাসে তাহকে দেওয়া যায় এবং আমার দের যতকাল ইচ্ছা ততকাল তিনি তৎপদধারী থাকেন। অপর হেষ্টিংস সাহেব আরো কহিলেন যে আমার এই প্রস্তাবিত পরামর্শে এই সুফলের সম্ভাবনা যে সুপ্রিম কোর্ট ও গবর্ণমেণ্টেতে পুনৰ্ব্বার মিল হইবে এবং উভয়ের পরস্পর বিবাদেতে রাজস্ব আদায় করণের ব্যাঘাত এবং দেশে যে অশুভ ঘটিতেছে তাহ একেবারে নিবৃত্ত হইবে। এই পরামর্শে কৌন্সেলের দুই জন ফ্রান্সিস ও উইলর সাহেব সম্মত হইলেন না বটে তথাপি ২৪ অক্তোবর তারিখে তাহ স্থির হইল। অপর গবর্ণমেণ্ট ও সুপ্রিম কোর্টের এতদ্রুপ সন্মিলের এবং সদর দেওয়ানি আদালতের জজ সাহেবের পদে চিপ জুষ্টিস সাহেবের নিযুক্ত হওনের ও র্তাহার ভারি বেতনের সম্বাদ ইংগ্রগুদেশে পহুছিবা মাত্র কোর্ট আফ ডৈরক্তস সাহেবেরা তাহাতে অত্যন্ত বিস্ময়াপন্ন হইলেন। অনন্তর সেই বিষয় পালিমেণ্ট কর্তৃক নিযুক্ত বিশেষ কমিটি সাহেবের দের নিকটে উল্লেখ হইলে তাহারা এতদ্বিষয়ে সৰ্ব্বপ্রকার বিবেচনা পূর্বক ঐ নিয়মের অত্যন্ত দোষোড়াবন করিলেন। এই সকল বিবেচনার শেষে এই ফল হইল যে সুপ্রিম কোর্টের নূতন নিয়ম স্বচক এবং ঐ কোর্ট যে সকল ক্ষমতা আজ্ঞা ব্যতিরেকে ধারণ করিয়া দেশমধ্যে পূৰ্ব্বোক্ত মতে নানা বিভ্রাট জন্মাইয়া ছিলেন সেই সকল ক্ষমতা নিবৃত্তিস্থচক পালিমেন্টের একটা নুতন ব্যবস্থা হয়। অপর পালিমেণ্ট বাদশাহকে এই দরখাস্ত দেন যে তৃতীয় জর্জের ত্রয়োদশ আইনের যথার্থের বিরুদ্ধে সুপ্রিম কোর্টের চিপজুষ্টিস সাহেব সদর দেওয়ানি আদালতে যে পদ গ্রহণ করিয়াছেন সেই অপরাধের উত্তর দেওনার্থে আপনি তাহাকে ইংগ্রগুদেশে প্রত্যাগমন করিতে হুকুম দেন। ঐ সদর দেওয়ানি আদালতে চিপজুষ্টিস সাহেবের নিযুক্ত হওনের কিঞ্চিৎকাল পরে তিনি ঐ আদালতের এবং তাহার ব্যাপ্য অন্ত অন্ত আদালতের কৰ্ম্ম নিৰ্ব্বাহার্থে ত্রয়োদশ বিধি করেন কিঞ্চিৎ কালানন্তর ঐ সকল বিধান অন্য ২ বিধানের সহিত মিশ্রিত হইয়া সৰ্ব্বশুদ্ধ পচানব্বই বিধান ঘটিত ঐ আদালতের এক ব্যবস্থা স্থির হয়। ১৭৮১ সালের