পাতা:বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮৬৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


سbہ سbلا বঙ্গ-সাহিত্য-পরিচয় । সেই পরম ধনকে উপভোগ কর—আর সকল ত্যাগ করিয়া সেই পরম ধনকে উপভোগ কর—আর সকল ত্যাগ করিয়া কেবল র্তাহাকে লইয়াই থাক। কেবল র্তাহাকে লইয়া থাকা মানুষের ভাগ্যে কি মহৎ কল্যাণ। আমি চিরদিন যাহা চাহিতেছি ইহা তাহাই বলে । কালীকমল সার্বভৌম-প্রণীত “বগুড়া-রত্তান্ত” গ্রন্থ হইতে উদ্ধৃত। শ্ৰীযুক্ত গোপালদাস কুণ্ডু মহাশয় কর্তৃক সংগৃহীত। ( উনবিংশ শতাব্দীর মধ্যভাগ ।) পীর খা নাজিরের বৃত্তান্ত । পীর খাঁ নাজির প্রথমতঃ জিলা নাটোরের ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবের আরদালির বরকন্দাজ ছিলেন। তৎপর ঐ জেলার বালাগণ্ডির জমাদার, তৎপর বগুড়ায় আসিয়া সদর থানার জমাদার হন। অনন্তর কোন কাৰ্য্য গতিকে থানার দারোগ বিদায় লইলে ঐ দারোগাগিরি কৰ্ম্ম একটন করেন। তৎপর এ জেলার ফৌজদারী আদালতের বহালি নাজির হন। নাজির হইয়া জিলার তাবত লোকের প্রতি অতিশয় অত্যাচার করায় সমুদায়ের কোপভাজন হন। কিন্তু ম্যাজিষ্ট্রেট সাহেবের নিতান্ত প্রিয়পাত্র হওয়ায় হঠাৎ কেহ কিছু করিতে পারে নাই। তৎপর আসজ্জমা চৌধুরীর সহিত এই কুঠতে কতকগুলিন কোওয়া খরিদের কারণ ভোক্ত খাতা ছিল, ঐ খাতায় যে সকল লোক দাদনের টাকা পাইত তাহাদিগের নাম থাকিত। তদ্ভিন্ন উহাতে মিছামিছি কতকগুলিন লোকের নাম লেখা থাকিত । বৎসর বৎসর নিকাশের সময় দুইলক্ষ আড়াইলক্ষ টাকা বিলাত বাকী দেখান হইত। ঐ বাকীর টাকাটা দেওয়ান প্রভৃতি কুঠার যাবতীয় কৰ্ম্মকারক অংশআংশী করিয়া লইত ৷ ৰাস্তবিক বিলাত পড়িত না । এ্যাবল সাহেব গোয়েন্দা দ্বারা এই বিষয়ের মৰ্ম্ম জ্ঞাত হইয়া কুঠীর কৰ্ম্মকারকদিগের নিকট ২০০০০০ লক্ষ টাকা আদায় করেন। অন্ত সাহেবের প্রোক্ত বিশ্বাসঘাতকতার বিন্দুবিসর্গও টের পান নাই। শিবশঙ্কর দাস এমন কুহক জালে সাহেবদিগকে আবদ্ধ করিত যে, তাহা হইতে সাহেবেরা