পাতা:বত্রিশ সিংহাসন - নীলমণি বসাক.pdf/১৬০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১৫৪

বত্রিশ সিংহাসন

চরণরেণু সম্পর্কে আমার রাজ্যও পবিত্র হইল। তদ- নন্তর রাজা কামসেন রাজা বিক্রমাদিত্যের সহিত সা- ক্ষাৎ করিয়া তাঁহাকে আপন আলয়ে লইয়া গেলেন, এবং বহুতর অর্থ ও অলঙ্কার সহিত কামকন্দলাকে তা- হার সম্মুখে আনাইলেন। রাজা বিক্রমাদিত্য মাধবকে আনাইয়া তাহাকে কামকলা সমর্পণ করিলেন। পরে তথা হইতে আপন রাজধানীতে আসিয়া মাধবকে অনেক অর্থ দিয়া বিদায় করিলেন।

 এই বৃত্তান্ত সমাপন করিয়া অনুরােধবতী পুত্তলিকা বলিল হে ভােজরাজ যদি তােমার এই প্রকার সামর্থ্য ও সাহস থাকে তবে সিংহাসনারােহণ কর, নতুবা পতিত হইয়া নরকগামী হইবে। এইরূপে সে দিবসও গত হইল। পর দিবস রাজা পুনর্ব্বার সিংহাসনের সমীপে উপস্থিত হইলে

অনুপরেখা দ্বাবিংশ পুত্তলিকা

কহিল হে রাজন, তুমি সিংহাসনােপবেশনের বাসনা পরিত্যাগ কর, এবং আমি যাহা কহি তাহা শুন।

 এক দিবস রাজা বিক্রমাদিত্য সভারূঢ় হইয়া মন্ত্রী- কে জিজ্ঞাসা করিলেন কর্ম্মের দ্বারা মনুষ্যের জ্ঞানােৎ- পত্তি হয়, কি, মাতা পিতার উপদেশানুসারে হইয়া থাকে। মন্ত্রী কহিলেন মহারাজ মনুষ্য পূৰ্বজন্মে যেমন কর্ম্ম করে পরমেশ্বর সেই প্রকার তাহার ফল দেন, তদ- মুসারে বিদ্যা হয়, মাতা পিতার শিক্ষাতে হয় না। তিনি