পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/১৮৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Y GR» বরেন্দ্র রন্ধন । মাছ ভাঙ্গিয়া যাইবে ও ছোবা ছোবা হইবে। এ সম্বন্ধে ইতিপূৰ্ব্বে ভাজি’ অধ্যায়ে বিস্তারিত লিখা হইয়াছে। পক্ষান্তরে অধিক উত্তপ্ত তৈলে মাছ ছাড়িলে দুল জলিয়া উঠিতে পারে অথবা মাছ পুড়িয়া যাইতে পারে তাহাও স্মরণ রধিতুে হইবে।) বাছিয়া দুই প্রকারের আনাজ ও মাষকলাইর বড়ি লইয়া পৃথক পৃথক ভাবে তেলে কষাইয়া রাখ। পরে পুনঃ তেলে জিরা, তেজপাত, লঙ্কা ফোড়ন দিয়া লঙ্কা বাট ও ধনিয়া বাটা ছাড়িয়া কমাও । ভাজা মশলার বেশ সুগন্ধ বহির হইলে মুণ হলুদ দিয়া জল দাও । ফুটিলে কষান মাছ ছাড় ও তৎপর ক্যান আনাজ ও বড়ি ( গোটা ) ছাড় । সিদ্ধ হইলে জিরামরিচ বাটা, ( তেজপাত বাট, পিপুলবাটা? ও পিঠালী একত্র অল্প জলে গুলিয় ঢালিয়া দাও । পিঠালী অবশু আলাহিদাও দিতে পার । ঝাল রস অপেক্ষাকৃত গাঢ় হইলে নামীও । ইচ্ছা করিলে কিছু ভাজা রাধনীর গুড়া জল দিয়া বাটিয়া লইয়া মিশাইবে । (গ) মাছ উপরোক্ত ভাবে কুটিয়া লইয়া মুণ, হলুদ মাখিয়া উত্তপ্ত তেলে কষাইয়া রাখ। দুই প্রকারের আনাজ ও মাষকলাইর বড়ি পৃথক পৃথক তেলে কষাইয়া রাখ। পুনঃ তেলে ধনিয়া বাট ওঁ লঙ্কা বাট ছাড়িয়া কৰ। ভাজা মশল্পার স্ববাস বাহির হইলে মুণ হলুদ সহ জল দাও । ফুটিলে কষান মাছ ও পশ্চাৎ ক্যান আনাজ ও বড়ি ( গোটা ) ছাড় । সিদ্ধ হইলে জিরা-মরিচ বাটী, (পিপুল বাটী, তেজপাত বাটা) ও পিঠলী মিশাও । নাড়িয়া চড়িয়া নামাও । এক্ষণে পুনঃ তেলে জিরা, তেজপাত ও লঙ্কা ফোড়ন দিয়া রাধা মাছ সম্বারা দিয়া লও। নামাইয়া ইচ্ছা করিলে কিছু ভাজা রাধনীর গুড় জল দিয়া বাটিয়া লইয়া মিশাইতে পার । g (ঘ) মাছ উপরোক্ত ভাবে কুটিয়া লইয়া মুণ, হলুদ মাখ। দুই প্রকারের আনাজ ও মাষকলাইর বড়ি তেলে পৃথকৃ পৃথক্ কষাইয়া রাখ। তৎপর তেলে জিরা, তেজপাত, লঙ্ক ফোড়ন দিয়া মাছ ছাড় । আংসাও । মুণ হলুদ দিয়া