পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/২০৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


* বয়েঞ্জ রন্ধন । গেলে মাছ ভাঙ্গিয়া যায়, কিন্তু মাংস সেরূপে ভাজিয়া যাইবার কোন সম্ভাবন নাই ; পরন্তু মাংস পূৰ্ব্বে মাখিয়া ঢাকিয়া রাখিলে ঝালমুণ-ভৈলাদি মাংসের ভিতরে প্রবেশ করিয়া তাহার স্বাদ বৃদ্ধি হয়। মাংসে বাটা বাল মাখিবর সময় তৎসুস্থ অবস্তক মত তৈল, ( রগুন বাটা ) এবং অন্ন যথা—দধি প্রভৃতি মিশাইয়া ঘণ্টা কয়েক ঢাকিয়া রাখিয়া রাধিলে উহার আস্বাদন আচারের স্থা মধুর হয়। বস্তুতঃ এই স্বভাবের অনুসরণেই মোগলাই কোশ্ম পাক হইয়া থাকে। ১১৯ ৷ কেঠোর কালিয়া বরেন্দ্ৰ-ভূমে কেঠো খাওয়া খুব চলন। কেঠো বলিলে যে সে কচ্ছপকে বুঝাইবে না, নদীতে সাধারণতঃ সৰ্ব্বভুক্‌ থলথলে-পার্শ্ব-চেড়ো (খোলা) বিশিষ্ট অপেক্ষাকৃত বড় বড়, চ্যাপ্টা গোছের যে কচ্ছপ পাওয়া যায়, ইহা সে জাতীয় নহে, এষ্ট নদীর কচ্ছপ অতিশয় দুর্গন্ধ বিশিষ্ট ও অখাদ্য। এই জাতীয় অন্ত এক প্রকারের অপেক্ষাকৃত ছোট কচ্ছপ আছে যাহাকে সাধারণতঃ উগলা কেঠো’ বা ‘সিম কেঠো' বলে, ইহা তাহাও নহে। সিম কেঠো খায় বটে, কিন্তু তাহার স্বাদও আঁষ টে। আমি যে জাতীয় কেঠোর কথা বলিতেছি তাহা সাধারণতঃ কাৰ্ত্তিক অগ্রহায়ণ মাসে বিলে, খালে পাওয়া যায়। ইহার চেড়োর সমস্তটাই খুব শক্ত, এবং কুরুম পিঠে” ( কুৰ্ম্ম পৃষ্ঠ ) বলিলে যেরূপ আকার বুঝায় সেইরূপ আকার বিশিষ্ট । এই কেঠো কেবলমাত্র জলজ উদ্ভিদ খাইয়া জীবন ধারণ করে। ইহার নদীর কচ্ছপের স্থায় সৰ্ব্বভূক্ত অথবা তাদৃশ হিংস্র স্বভাব সম্পন্ন নহে। ইহারা আকারে তাদৃশ বৃহৎও হয় না,—মুঠম হাতের অধিক লম্বা কেঠো প্রায়ই দেখা যায় না। ইহার বুকের খোলাও কঠিন ও হরিদ্র বর্ণ এবং ভদ্রগরি কাল কাল দাগ বিশিষ্ট। আর এক প্রকার কেঠো আছে,তাৰ অতি s 8ש3 معsجو