পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/৫০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


ෆෆ বরেন্দ্র রন্ধন ৩১ আলু ভাজি (ক) ফলা-আলু ভাজি (১) আলু (খোসা সমেত) দুই ফঁক বা বড় হইলে চারিধাক করিয়া কুট। জলে সিদ্ধ কর। মুণ হলুদ ও একটু চিনি মাথিয়া ভাসা তৈলে বা ঘৃতে লাজ। চী অনুসারে ইহার সহিত মরিচ গুড়া ও শলুপ শাকের কুচি মিশাইয়া ভাজিতে পার। লাল আলু এই প্রকারে ভজিতে পার । , (২) আলু সিদ্ধ করিয়া ডুম ডুমা করিঘা কুট। মুণ ও কিছু মরিচের -কুড়া মাখিয়া ভাজ। ইহা দ্বার সিঙ্গাড়ার পুর হয়। (৩) আলু খোসা সমেত সিদ্ধ করিয়া লও। পরে খোসা ছাড়াইয়া গোট বা বড় আলু হইলে দুই বা তিন খণ্ডে কুটিয়া লইয়া মুণ, হলুদ, লঙ্কা বাট বা মরিচ বাট, কিঞ্চিৎ অম্ল যথা—নেবুর রস, তেতুল গোলা, দধি প্রভৃতি এবং ইচ্ছা করিলে তৎসহ পেয়াজ বাটা ও ঈষৎ আদা বাট মাথ । অল্প স্কৃত শুকনা শুকুনা করিয়া ভাজ। ইহাকে সচরাচর আলুর দম কহে । (খ) পাট-আলু ভাজি (১) আলুর খোসা ছাড়াইয়া পাতলা পাৎলা চাকা বা পাট পাট করিয়া অথবা খরিকার আকারে মিহি করিয়া কুট । মুণ হলুদ মাখিয়া ভাসা স্থতে বা তৈলে মুচমুচে করিয়া ভাজ। স্থত বা তৈল র্কাচ থাকিলে আলু ছাড়িলে জড়াইয়া যাইবে । আনাজী কল, মান, কুঁড়ী-কচু, লাল আলু প্রভৃতি এই প্রকারে পাট পাট }বা মিহি করিয়া কুটিয়া ভাসা তৈলে বা স্বতে মুচমুচে করিয়া ভাজিবে। (২) অপেক্ষাকৃত পুরু পুরু পাট বা কুচে করিয়া কুটিয়া মুণ হলুদ ও