পাতা:বরেন্দ্র রন্ধন.djvu/৭৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


छूउँौञ्च অধ্যায়-ভাজি । 6 (R ংস্কৃত বা পঙ্ক মাংস দেবতাদিগকে নিবেদন করিয়া ( স্বয়ং ) ভোজন করিলেন।” ( জয়মঙ্গলের টীকা দ্রষ্টব্য )। পাঠক পাঠিকা লক্ষ্য করবেন, হোমকারী অর্থাৎ পরমশুদ্ধাচারী দ্বিজাতি আৰ্য্যসন্তান, এমন কি বর্তমান ক্ষেত্রে স্বয়ং শ্রীরামচন্দ্র, শূল্য উখ্য ভেদে বিবিধ প্রকারে পক মাংস আহার করিলেন । কেমন করিয়া আহার করিলেন ?—না, দেবসাৎ কৃত্ব—দেবতাগণকে নিবেদন করিয়া আহার করিলেন । তাহা হইলেই দেখা যাইতেছে ষে পরমনৈঠিক হিন্দুসস্তানের পক্ষেও তৎকালে শূল্য উখ্য ভেদে পঙ্ক’ মাংস অর্থাৎ বর্তমানে যাহাকে কাবাবাদি বলা যাইতেছে তাহা ভোজন ত নিষিদ্ধ ছিলষ্ট না পরস্ত উহা দেবোদেশে নিবেদন কবও প্রথা ছিল । বর্তমানকালেণ্ড ভারতের বহু প্রদেশে এমন কি নিজ বরেন্দ্রেও মাংসাঙ্গর প্রথা বিশেষভাবে প্রচলিত আছে এবং এই শ্লোকাদ্ধে লিখিত শূল্য উখ্য ভেদে দ্বিবিধ উপায়েই এখনও মাংস রন্ধন হইয়া থাকে। কিন্তু ইউরোপীয় এবং মুসলমানগণের মধ্যে মাংস রন্ধনু বৰ্তমানে যেরূপ উৎকৃষ্ট হইয়া থাকে অস্বদেশে তাদৃশ হয় না। আমরা এক্ষণে মাংস পাক একরূপ ভুলিয়া গিয়াছি বলিলেও অত্যুক্তি হয় না। সাধারণতঃ ‘কালিয়া’ ছাড়া অপর কোনও প্রকারে মাংস রন্ধনের চেষ্টা আমাদের মধ্যে আজিকালি আর বড় দেখা যায় না । এই নিমিত্ত এক্ষণে মাংস রন্ধন সম্বন্ধে লিখিতে হইলে বৈদেশিক রীতির আশ্রয় গ্রহণ করা ছাড়া গত্যন্তর নাই। মুসলমানী ‘কাবাব’ ‘কোপ্তা’ অথবা ইংরাজী রোষ্ট’ ‘কটলেট’ ‘চপ’ ‘ষ্টেক’ প্রভৃতি বলিলে যাহা বুঝায় আমি তাহা শূল্য’ উথ্য ভেদে বিভাগ করিয়া ཨཱཛི "কাবাব, অধ্যায়ের অন্তর্গত করিয়া এখানে লিপিবদ্ধ করিলাম । শিক-কাবাবাদি যে হিন্দুর অতি প্রাচীন নিজস্ব খাদ্য তাহার বিশেষ প্রমাণ পাণিনির ৪২১৭ স্বত্র—“শুলোথাদ যৎ ।” অর্থাৎ—“শূলে সংস্কৃতং শূল্যং মাংসম । উখ্যম্ । ” মৎস্ত বা মাংসে আবশুকমত ঝাল, মুণাদি ও তৎসহ ধৃত মাখিয়া