আমার কথা শুনিয়া সুধা মুখ তুলিল, এবং অল্প হাসিতে হাসিতে মৃদুস্বরে বলিল, “যে দিন আমার বিবাহের কথা উত্থাপন হয়, তাহারই দুই দিন পরে এই নল বসান হইয়াছিল।”
অ। এ নলটাও কি উপরের ঘরের জল বাহির করিবার জন্য বসান হইয়াছে?
সু। হাঁ, কাকা এইরূপই বলিয়া থাকেন।
আ। ইহার উপরে কাহার ঘর?
সু। কাকার।
আ। তোমার দিদির ঘরের উপরে কাহার ঘর?
সু। কাকার। অ। তবে তোমার কাকার কয়টী ঘর? সু। একটা। ঘরটী বড়; আমাদের দুজনের ঘরের সমান।
আ। সে ঘরের জল বাহির হইবার ত পথ ছিল, তবে সবার। এ নলটা বসান হইল কেন?
সু। কাকা বলেন, একটী পথে সমস্ত জল বাহির হইবার সুবিধা হয় না।
আ। এ বড় আশ্চর্য্য কথা! এতকাল এক পথ দিয়াই ত জল বাহির হইতেছিল।
সু। কার সাধ্য তাহার কথার উপর কথা কহিবে।
আ। আর একটা কথা। দেখিতেছি, তোমার ও বিছানা নলের নিকট রহিয়াছে। তুমি কি ইচ্ছা করিয়া তোমার পালঙ্ক খনি ঐ স্থানে রাখিয়াছ?
সু। না না, উহাও আমার কাকার হুকুম।
আ। কেন? তিনি কি বলেন?