পাতা:বাংলাদেশ কোড ভলিউম ২৯.djvu/৩৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় আইন, ১৯৯২ VL8S (২) বিশ্ববিদ্যালয়ের প্রত্যেক কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা উহার সভার তারিখ এবং আলোচ্য বিষয় সম্পর্কে উক্ত কর্তৃপক্ষের বা সংস্থার সদস্যগণকে নোটিশ প্রদান এবং সভার কার্যবিবরণী রেকর্ড করার জন্য প্রবিধান প্রণয়ন করিবে । (৩) সিন্ডিকেট এই ধারার অধীনে প্রণীত কোন প্রবিধান তৎকর্তৃক নির্ধারিত NONপ্রকারে সংশোধন করার বা বাতিল করার নির্দেশ দিতে পারিবে: o èst তবে শর্ত থাকে যে, বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থা অনুরূপ &o নির্দেশে সন্তুষ্ট না হইলে চ্যান্সেলরের নিকট আপীল করিতে পারিবে এবং এই o ব্যাপারে চ্যান্সেলরের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে। o ৪৯। কোন ব্যক্তি বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন কলেজের কোন পদে অধিষ্ঠিত বিশ্ববিদ্যালয় থাকার অথবা বিশ্ববিদ্যালয় বা কোন কলেজের কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার সদস্য : "" হওয়ার বা থাকিবার যোগ্য হইবেন না যদি তিনি- ং বিধিনিষেধ o (ক) অপ্রকৃতিস্থ, বধির বা মূক বা অন্য কোনভাবে তাহার দায়িত্ব পালনে অক্ষম হন; S (খ) দেউলিয়া ঘোষিত হইবার পর দায় হইতে অব্যাহতি লাভ না করিয়া থাকেন; o (গ) নৈতিক স্থলনজনিত অপরাধে আদালত কর্তৃক দোষী সাব্যস্ত হন। o ○の| বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা অন্য কোন সংস্থার পদাধিকারবলে সাময়িকভাবে শূন্য পদ সদস্য নন এইরূপ কোন সদস্যের পদে সাময়িকভাবে শূন্যতার সৃষ্টি হইলে যে " ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ উক্ত সদস্যকে নিযুক্ত বা মনোনীত করিয়াছিলেন সেই ব্যক্তি বা কর্তৃপক্ষ যথাশীঘ্র সম্ভব উক্ত শূন্য পদ পূরণ করবেন এবং যে ব্যক্তি এইরূপ শূন্য পদে নিযুক্ত বা মনোনীত হইবেন তিনি যাহার স্থলাভিষিক্ত হইয়াছেন, তাহার অসমাপ্ত কার্যকালের জন্য উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার সদস্য পদে বহাল থাকিবেন। o كيم ৫১। বিশ্ববিদ্যালয়ের কোন কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার কোন কার্য বা কার্যধারা কার্যধারার বৈধতা কেবলমাত্র ইহার কোন পদের শূন্যতা বা উক্ত পদে নিযুক্তি বা মনোনয়ন গৈ" সংক্রান্ত ব্যর্থতা বা ক্রটির কারণে উক্ত কর্তৃপক্ষ বা সংস্থার গঠনের ব্যাপারে অন্য কোন প্রকার ক্রটির জন্য অবৈধ হইবে না কিংবা তৎসম্পর্কে কোন প্রশ্ন উত্থাপন করা যাইবে না। o so ৫২। এই আইন বা সংবিধিতে বিশেষভাবে বিধৃত হয় নাই এইরূপ কোন বিতর্কিত বিয়ে চুক্তি বা বিষয় সম্পর্কে বিশ্ববিদ্যালয় এবং উহার কোন শিক্ষক বা কর্মকর্তার চাপগরের শিক্ষাত মধ্যে বিরোধ দেখা দিলে, বিরোধটি উক্ত শিক্ষক বা কর্মকর্তার লিখিত অনুরোধক্রমে, ভাইস-চ্যান্সেলর কর্তৃক চ্যান্সেলর সমীপে সিদ্ধান্তের জন্য পেশ করা হইবে এবং এই বিষয়ে চ্যান্সেলর এর সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত হইবে।