পাতা:বাংলাদেশ কোড ভলিউম ২৯.djvu/৪২২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন আইন, ১৯৯৩ 8之> (৩) উপ-ধারা (২) এর অধীন অনুসন্ধান বা তদন্ত কার্যে নিয়োজিত ব্যক্তিকে অনুসন্ধানাধীন বা তদন্তাধীন ব্যক্তি বা একাধিক ব্যক্তি সমন্বয়ে গঠিত কমিটিকে প্রয়োজনীয় তথ্যাবলী ও দলিলপত্র প্রদান করিতে বাধ্য থাকিবে। ১৭খ। ধারা ১৭ক এর অধীন প্রাপ্ত তদন্ত প্রতিবেদনের উপর শুনানীর পারিবে, যে সকল ক্ষমতা কোন দেওয়ানী আদালত Code of Civil Procedure, 1908 (Act V of 1908) of অধীন প্রয়োগ করিতে পারে, যথা: (ক) কমিশনে উপস্থিত হইবার জন্য কোন ব্যক্তির উপর সমন জারী এবং তাহাকে কমিশনে উপস্থিত হইতে বাধ্য করা এবং শপথ করাইয়া তাহাকে জিজ্ঞাসাবাদ করা: (খ) কোন তথ্য সরবরাহ বা প্রয়োজনীয় কোন দলিল দাখিল করা।] o ১৮। (১) যদি কোন ব্যক্তি এই আইনের কোন বিধান লংঘন করেন বা লংঘন করার উদ্যোগ গ্রহণ করেন বা লংঘনে প্ররোচনা ও সহায়তা করেন তাহা হইলে তিনি অনধিক পাঁচ বৎসর সশ্রম কারাদণ্ড বা অনূ্যন পাঁচ লক্ষ টাকা অর্থদণ্ড বা উভয় দণ্ডে দণ্ডনীয় হইবেন। ംര് M(২) যদি কোন ব্যক্তি এই আইন বা বিধি বা প্রবিধানের অধীন Q (ক) প্রদত্ত কেন আদেশ বা নির্দেশ বােধ হন বা

  • N (খ) প্রয়ােজনীয় তথ্য সরবরাহে ব্যর্থ হন বা

(গ) কোন অনুসন্ধান বা তদন্তের সময় অনুসন্ধানকারী বা তদন্তকারী ব্যক্তিকে প্রয়োজনীয় সুযোগ-সুবিধা প্রদানে ব্যর্থ হন; তাহা হইলে কমিশন উক্ত ব্যক্তিকে ব্যক্তিগতভাবে বা প্রতিনিধির মাধ্যমে শুনানীর সুযোগ প্রদান করিয়া লিখিত আদেশ দ্বারা সতর্ক করিয়া দিতে পারবে বা অনুন এক লক্ষ]টাকা অর্থদণ্ডে দণ্ডিত করিতে পরিবে, এবং উক্তরূপ ব্যর্থতা অব্যাহত থাকিলে অনুরূপ অব্যাহত থাকাকালীন প্রতিদিনের জন্য উক্ত ব্যক্তিকে ২অনুর্ধ্ব দশ হাজার টাকা অর্থদণ্ড দণ্ডিত করতে পারবে। শাস্তি কতিপয় ক্ষেত্রে আদালতের ক্ষমতা èst

  • ് o Goo ഴ്സ്

°C বিদ্যমান বিধান উক্ত ধারার উপ-ধারা (১) রূপে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) আইন, ১৯৯৭ (১৯৯৭ এর ৪ ধারাবলে পুনসংখ্যায়িত। R “অনূ্যন পাঁচ লক্ষ" শব্দগুলি “অনধিক পাঁচ লক্ষ" শব্দগুলির পরিবর্তে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) CŞ আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ২৩ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত। উপ-ধারা (২) এবং (৩) সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন) আইন, ১৯৯৭ (১৯৯৭ সনের ৭ নং আইন) এর ৪ ধারাবলে সন্নিবেশিত।

  • “অনুনি এক লক্ষ" শব্দগুলি “অনুর্ধ এক লক্ষ" শব্দগুলির পরিবর্তে সিকিউরিটিজ ও এক্সচেঞ্জ কমিশন (সংশোধন)

আইন, ২০০০ (২০০০ সনের ২৩ নং আইন) এর ১১ ধারাবলে প্রতিস্থাপিত।