পাতা:বাংলার পাখি - জগদানন্দ রায়.djvu/৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


se বাংলার পাখী। দেখিলে মনে হয়, যেন কাকেরা পরস্পরকে আদর করিতেছে। তাহা হইলে দেখ, কাকদের আগাগোড়াই যে দুষ্টামিতে ভরা, তাহা নয়। ইহাদের দুই-একটা ভালো গুণও আছে। এত চালাক-চতুর পাখী হইলেও কাকুদের বাসগুলি কিন্তু ভারি বিশ্ৰী। বাসা তৈয়ারিতে তাহারা একটুও বুদ্ধি খরচ করিতে পারে না। শুকনো সরু ডাল, ঘাস, খড়, কাগজের কুচা, আরো কত ছাই-ভস্ম দিয়া তাহারা বাসা বানায়। কখনো কখনো লোহার তার ও টিনের টুকরাও তাহদের বাসায় পাওয়া যায়। কিন্তু এগুলিকে বাসায় পরিপাটি করিয়া সাজানো দেখা যায় না। কোনো রকমে সেগুলিকে ডালে আটুকাইয়া তাহারি উপরে কাকেরা পাঁচ-ছয়টা DD DBB DD BB DDD EBL SBDB DB কাকের ডিমের চেয়ে ছোট এবং তাহার রঙ কতকটা সবুজ এবং সবুজের উপরে আবার হলদে পোচও খাকে। কাকেরা DBBDBDD DBBD DBOBB DBD DB DBD DB DDD তা দেয়, তাহাঁ বুঝা যায় না। অনেক পাখীদেরই স্ত্রী ও পুরুষে মিলিয়া বাসা বাধে। কিন্তু কাকদের মধ্যে তাহা দেখা যায় না। স্ত্রী-কাকেরাই খড়কুটা কুড়াইয়া বাসা বঁধিতে খাটিয়া মরে। পুরুষ-পাখী নিষ্কৰ্ম্ম হইয়া বসিয়া ঘাড় বঁাকাইয়া স্ত্রীর কাজের তারিফ করে। কিন্তু বাসায় ডিম পাড়া হইলে পুরুষ-কাকেরা আর ফাঁকি দিয়া বসিয়া থাকিতে পারে না। তখন তাহাদিগকে বাসার চারিদিকে ঘুরিয়া ডিমের পাহারা