পাতা:বাংলার পাখি - জগদানন্দ রায়.djvu/৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বাংলার পাখী। ২৩ দেখিব, ইহারা আমাদেরি মতো একে একে পা ফেলিয়া চলে এবং দরকার হইলে দৌড়াইয়া বেড়ায়। শালিকদের পরস্পরের মধ্যে ভাব না থাকিলেও চরিবার সময়ে SBDBDD SYBDBDDB S DB BB D BDDBBD D সম্মুখের মাঠে একদিন পচাত্তরটা শালিককে এক জায়গায় চরিতে দেখিয়াছিলাম। এক সঙ্গে অনেকে চরিতে বাহির হইলেও শালিকেরা ভয়ানক ঝগড়াটে পাখী । ছোটো ছেলেরা যেমন কখনো পরস্পর হাসিখুসি করে, আবার সামান্য কারণে কখনো মারামারি জুড়িয়া দেয়, ইহাদের মধ্যে ঠিক সেই রকমটিই দেখা যায়। কোনো কারণ নাই, হঠাৎ দুইটা শালিক রাগিয়া মাটিতে গড়াগড়ি দিয়া পরস্পরকে ঠোকর দিতে আরম্ভ করিল, ইহা প্রায়ই দেখা যায়। পালোয়ানেরা কুস্তির সময়ে ল্যাঙ মারিয়া একে অন্যকে হারাইতে চেষ্টা করে । ইহা তোমরা হয়ত দেখিয়াছ ! শালিকেরা ঝগড়ার সময়ে সেই রকমে পায়ে পা বাধাইয়া লড়াই আরম্ভ করে। বৈশাখ-জ্যৈষ্ঠ মাসে যখন ঘর-সংসার পাতিয়া ডিম পাড়া ও বাসা বঁধার সময় আসে, তখনি এই রকম ঝগড়া-ঝাঁটি বেশি। দেখা যায়। মনে কর, তিন-চারিট পুরুষ শালিকের মধ্যে কেবল একটা স্ত্রী-শালিক আছে। এখন একটি স্ত্রী-শালিক কোন পুরুষের সঙ্গে থাকিয়া বাসা বঁধিবে ও ডিম পাড়িবে ইহা লইয়াও উহাদের মধ্যে মারামারি বাধে। কিন্তু যখন