পাতা:বাংলার ব্রত - অবনীন্দ্রনাথ ঠাকুর.pdf/৭৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

दरव्ह्न खड ԳÇ আলপনার শিল্প হচ্ছে সমতল ভিত্তিকে চিত্রণ, এবং যা আঁকিছি তারু পরিষ্কার চেহারাটি দেওয়া । হাত TRVS IV q R TRANSK মতো হলে চলে না। ব্ৰতের কাজে । একটা জিনিসের ঠিক চেহারাটি छू-5ांद्र iिgन अँांक 6य कडप्थॉनेि ক্ষমতার কাজ, তা চিত্রকর মাত্ৰেই DBYS qODY LS MASYED ছাত্রকে তার হাতের কলমটা আঁকতে বললে সে মাথায় হাত দিয়ে বসবে, ፴ré-ር°ዘ ቆiርቀ-ርዏii किह डांब्रहे श्cड ऑibबछद्धब्र ভগিনীটি এই আলপনার সব কখানা অনায়াসে একে যাবে নিভুল-হাত। বেড়ি গহনা ফুল পাতা সবই। মানুষ আর জানোয়ারদের বেলায় মেয়েরা একটু গোলে পড়েছে। কিন্তু এ ছাড়া যেখানে কল্পনা পাঠানো চলে এমন-সব বড়ো-বড়ো আলপনা এবং নানা লতা ও পাড়ের আবিষ্কারে তারা সিদ্ধহস্ত । সুবচনী-পুজোর আলপনাটিকে আমরা সুবচনী ব্ৰতকথার প্রতিরূপ-চিত্র বলে ধরতে পারি। রাজার পুকুরে অনেক হাস। তার সর্দার ছিল এক খোড়া হাস। এক ব্ৰাহ্মণকুমার সেই খোড়া হাস মেরে খেয়েছিল এবং সুবচনীর কৃপায় তার মা সেই ইসকে বঁচিয়ে তবে রাজার কোপ থেকে নিস্তার পেয়েছিল। এই গল্পটাকে দেখাচ্ছে এই সুবচনীর আলপনা । সেঁজুতির আলপনা, ভাদুলি ব্ৰতের নদী ও তালগাছ-এ-দুটির মধ্যে নিছক কামনা জানানোর চেয়েও একটু বেশি কাজ মানুষে করেছে। কেঁচা দুলিয়ে সুপুরিবাগানে কর্তা ঘুরে বেড়াচ্ছেন, জোড়া-বাংলার দরজায় দুই সেপাই পাহারা দিচ্ছে । (পৃ. ৭০ ) এই সুপুরিবাগানের কর্তার সঙ্গে হাতেপো কঁখে-পো (পৃ. ৭৫) মানুষের প্রতীকটির অনেক তফাত। যদিও খুব কঁচা হাতের কিন্তু কর্তার ছবিতে বাস্তবিকতা অন্যটির চেয়ে ঢের বেশি।