পাতা:বাঙ্গলা ব্যাকরণ - লোহারাম শিরোরত্ন.pdf/২০৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

১৯৬

বাঙ্গলা ব্যাকরণ।

রস বলে। যথা; “সে রোগের পাশে বিশালউদর বসে উদর-পরতা; অজীর্ণ ভোজনদ্রব্য উগারি দুর্ম্মতি পুনঃ পুনঃ দুই হস্তে তুলিয়া গিলিছে সুখাদ্য।”

 রৌদ্ররস।—ক্রোধজনক রসের নাম রৌদ্র। যথা; “বাজিল তুমুল রণ,—চাহিলা বিস্ময়ে দেব নর দোহা পানে; কাটিলা সৌমিত্রি শরজাল মুহুর্ম্মুহুঃ হুহুঙ্কার রবে! সবিস্ময়ে রক্ষােরাজ কহিলা, ‘বাখানি বীরপনা তোর আমি সৌমিত্রিকেশরি! শক্তিধারাধিক শক্তি ধর‍িস্ তুই; কিন্তু নাহি রক্ষা—আজি মোর হাতে’।”

 শান্তরস—তত্ত্বজ্ঞানাদি জন্য যে শান্ত ভাব, তাহাকে শান্তরস কহে। যথা; তুমি কার কে তোমার করে বলরে আপন। মহামায়া নিদ্রা বশে দেখিছ স্বপন। নানা পক্ষী এক বৃক্ষে, নিশিতে বিহরে সুখে, প্রভাত হইলে তারা দশ দিকে ধায়, তেমতি জানিবে সব, অমাত্য বন্ধু বান্ধব, সময়ে পলাবে সবে কে করে বারণ।


গুণ।

 পদ বা বর্ণাদি দ্বারা রসের উৎকর্ষ সাধক