পাতা:বাঙ্গলা ব্যাকরণ - লোহারাম শিরোরত্ন.pdf/২০৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা হয়েছে, কিন্তু বৈধকরণ করা হয়নি।

বাঙ্গলা ব্যাকরণ।

১৯৭

ধর্ম্মকে গুণ বলে। গুণ তিন প্রকার; মাধুর্য্য, ওজঃ ও প্রসাদ।

 মাধুর্য্য।—বাক্যের যে গুণ থাকিলে চিত্ত আর্দ্র ও দ্রবীভূত হয়, তাহার নাম মাধুর্য্য। আদি, করুণ ও শান্তরসেই সমধিক মাধুর্য্যগুণ থাকা আবশ্যক।

 মাধুর্য্যব্যঞ্জক বর্ণ।—ঙ্ক, ঙ্খ, ঙ্গ, ঙ্ঘ, ঞ্চ, ঞ্ছ, ঞ্জ, ঞ্ঝ, ন্ত, ন্থ, ন্দ, ন্ধ, ম্প, ম্ফ, ম্ব, ম্ভ এবং অনায়াসে উচ্চারিত হয় এমত ল ও র ইহারা মাধুর্য্যব্যঞ্জক বর্ণ। মাধুর্য্যগুণে সমাসশূন্য বা স্বল্প সমাস যুক্ত পদ বিন্যাস করিতে হয়। এইরূপ রচনাই সুললিত হইয়া থাকে। যথা; “তদীয় সৌন্দর্য্য সন্দর্শনে নৃপনন্দন মোহিত হইয়া।” “গগনে উঠিল রবি লোহিত বরণ। আলোক পাইয়া লোক পুলকিত মন।” ইত্যাদি।

 ওজঃ।—রচনার যে গুণ দ্বারা চিত্ত উদ্দীপ্ত হয়, তাহাকে ওজোগুণ কহে। বীর, বীভৎস ও ভয়ানক প্রভৃতি রসেই ওজোগুণ অধিক থাকে। ওজোগুণাত্মক রচনায় যুক্তাক্ষর, টবর্গের বর্ণ এবং শ ষ স অধিক থাকে। আর