পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/১১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


রামপ্রসাদ । জয়জয়ন্তি —জৎ । এ সংসারে ডরি করে, রাজা যার মা মহেশ্বরী। আনন্দে আনন্দময়ীর, খাস তালুকে বসত করি ॥ নাইকো জরিপ জমাবন্দি, তালুক হয় না লাটে বন্দি মা। আমি ভেবে কিছু পাইনে সন্ধি, শিব হয়েছেন কৰ্ম্মচারী। নাইকো কিছু অন্ত লেঠা, দিতে হয় না মাথট বাট ম', জয়দুর্গার নামে জমা অঁটা, ঐটা করি মালগুজরি। বলে দ্বিজ রামপ্রসাদ, আছে এ মনের সাধ মা, আমি ভক্তিবু জোরে কিনতে পারি ব্রহ্মময়ীর জমিদারী ॥ 이 5 - FI| | কালী তারার নাম জপ মুখেরে, যে নামে শমনভয় যাবে দাররে । যে নামেতে শিব সন্ন্যাসী হইল শ্মশানবাসী, ব্ৰহ্মা আদি দেব র্যারে, নাহি পামু ভাবিয়া রে | ডুবু ডুবু হইল ভর, লোকে বলে ডুবেরে ; তবু ভুলাইতে পার যদি, ভেলানাথের মন রে। আমি অতি মুঢ়মতি, না জানি ভকতি স্থতি, দ্বিজ * রামপ্রসাদের নতি, চরণতলে রেখরে | মুক্ত কর মা মুক্তকেশী । ভবে যন্ত্রণ পাই দিবানিশি ॥ কালের হাতে সঁপে দিয়ে মা, ভুলেছ কি রাজমহিষী৷ তারা কত দিনে কাঢ়বে আমার, এ দুরন্ত কালের ফঁাসি৷

  • রামপ্রসাদের কোনও কোনও গানে ‘দিজ’ ভণিত দেখিয়া, কেহ কেহ সিদ্ধান্ত করেন, ঐ সকল গান অপর কোনও ব্রাহ্মণ রামপ্রসাদের রচিত। কিন্তু বৈদগণও দ্বিজ’ আখ্যায় আপনদিগকে অভিহিত করিয়া থাকেন,—এ দৃষ্টান্তও বিরল নহে। 爵

প্রসাদ বলে কি ফল হবে, .হই যদি গে৷ কাশীবাসী। ঐ যে বিমাতাকে মাথায় ধরে, পিত হলেন শ্মশানবাসী ॥ মন তোরে তাই বলি বলি। এবার ভাল খেল খেলায়ে গেলি ॥. প্রাণ বলে প্রাণের ভাই, মন যে তুই আমার ছিলি। . - ওরে ভাই হয়ে ভুলায়ে ভাইয়ে, শমনেরে সপে দিলি । গুরুদন্ত মহা সুধা, ক্ষুধায় পেতে নাহি দিলি। ওরে খাওয়াইলি কেবলমাত্র, কতকগুলো গলাগলি ৷ যেগ্নি গেলি তেগ্নি গেলাম, কবে দিলি মিজােজ আ'ল । এবার মায়ের কাছে বুঝ আছে, আমি নই বাগানের মালী ৷ প্রসাদ বলে মন ভেবেছ, দেবে আমায় জলাঞ্জলি । ওরে জান না কি হৃদে গেঁথে, রেখেছি দক্ষিণ কলী ৷ তাই কালরূপ ভালবাসি। জগমন্মোহিনী মা এলোকেশী । কালোর গুণ ভাল জানে, শুক শস্তু দেব ঋষি। যিনি দেবের দেব মহাদেব, কালরূপ র্তার হৃদয়বাসী ॥ কাল বরণ ব্রজের জীবন, ব্রজাঙ্গনার মন উদাসী হলেন বনমালী কৃষ্ণকালী, বাণী ত্যজে করে আসি ৷ যতগুলি সঙ্গী মায়ের, তার সকল এক বয়সী। ঐ যে তার মধ্যে কেলে মা মোর, বিরাজে পূর্ণিমার শশী ॥ প্রসাদ ভণে অভেদ জ্ঞানে, কালরূপে মেশামেশি ওরে একে পাচ পাচেই এক, মন করো না দ্বেষাদ্বেষী ॥