পাতা:বাঙ্গালীর গান - দুর্গাদাস লাহিড়ী.pdf/৩১৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২২২ বাঙ্গালার গাম | আলিয়া—একতলা | 5-(P||1 || নাথ ! গোকুলে আর দিন নাই! ঘরে নাই লক্ষ্মী,— BBBB BBB BBB BBS BBBBS BB BB BBBBDD DDS ব্রজে আর উদয় হয় ন দিনমণি, হরের আরাধ্য ধন রাই, আমরা জানি, কি দিন-যামিনী, হারিয়েছিল হে পদ্ম-আঁখি ! ॥ কেবল অন্ধকারে, হে কানাই ॥ তারা-আরাধনের ধন হয়ে হার, শুন ওহে ত{{ানাথের নয়ন-তারা ! তারায় বহে তারকার ধারা, তারায় তারা দেখি সৰ্ব্বদাই। মনে করলাম একবার দেখি রাধিকারে, আছে কি ম'লে রাই বিচ্ছেদ-বিকারে, দেখা হলো না শ্রাম ! অন্ধকারে, আমরা অন্ধের মত পথ হারাই ॥ অহং—একতাল । এ যমুনা পারে, কে আনিতে পারে, আমরা কুলের কুলবালা । কপালে লিখেছো বিচ্ছেদ-জ্বালা ॥ তোমারি লিখন মাত্র, কারু স্বর্ণ-ছত্ৰ, কারু শিরে ব্রজ দেও হে কালা ! ঘটে যা দিয়েছে। লিখে, কারু অট্টালিকে, কারু পক্ষে মাধব । বৃক্ষের তলা। তুমি লিখেছ ত্রিভঙ্গ ! সেই ত রসভঙ্গ, সাঙ্গ হ’লো তোমার সঙ্গে খেলা । তোমার লেখায় আসি, তোমার বামে বসি, কুজ কংসের দাসী, হয় প্রবলা । রাজকন্তে কমলিনী, সে হয় কঙ্গালিনী, নীলমণি ছিল যার কণ্ঠমালা ॥ 한 -CPI || || এই কি সব বৈভব, ঘরে লক্ষ্মী কই হে তব ? তব দুঃখে পশু পক্ষী কঁদে লক্ষ্মীৰশ্লভ । হরারাধ্য রাই-লক্ষ্মী হারিয়েছে, হে মাধব । যদি বল হে চিন্তামণি! লক্ষ্মী আমার কুজাধনী, জগতে বলে ভেকবাণী, তুমি পদ্মমুখী ভাব। ஆம் ধীি কও চিন্তামণি! লক্ষ্মী আমার কুঞ্জ। ধন, । লোকে কয় ভে বদনী, তুমিই বল পদ্মমুখী ॥ আলিয়—কাওয়ালী। প্রেমের উদয় করে না বিনে ব্রজের রূ । ব্ৰজনাথ ! কই স্বরূপ ৷ সেই যে নবীন জলধর, দ্বিভূজ মুরলীধ, গঙ্গাধর-ভাব্য যে রূপ অপরূপ ॥ অলকা-তিলকধুক্ত কায় হে, যেরূপ চিন্তিলে নাথ! শমন লুকায় হে, জীবের গমন স্বৰ্গাদি সকায় হে, ভক্তের হটে যে রূপ বিকায় হে, রাজসিংহাসনোপরি, আছ রাজভূষণ পরি, কেবল তুমিই বাদ সেধেছে, অবলায় বধেছে । এ নয় মুদৃগু, \xহ বিশ্বরূপ! ॥ ভৈরো-একতাল । ঢল ঢল চঞ্চল পদে নাথ! চল হে বৃন্দারণ্যে। বিতরণ করে প্যারী নিধনকালে আর অন্ত ধন, ওহে কৃষ্ণধন ! কেবল জীবন (死邻夜内(@f叫闷巴死羽顺 চল চল ওহে জীবন রাধার ! একবার সে যমুন-জীবন-পার, জীবনের জীবনকাস্তে জীবনাস্তে, ডেকেছে রাজার কণ্ঠে | ধলেন প্যারী,—এখন কৃষ্ণ-শোকানলে, বেঁচে আছেন কৃষ্ণ নামৌষধি-বলে, দেখ দাও একবার অস্তিমকালে, নাথ ! কে আছে আর তোমা ভিন্নে,— বিলম্ব করে মা ওহে রসময় ! কিশোরীর এখন বড় অসময়, এ সংদীর সব বিষময়, ওহে বিশ্বময় ! মনের কথা তোমা বিনে কে জানে অষ্ঠে