দিয়াছিলেন। বলা বাহুল্য এই সমস্ত ক্লাবই সৌখীন অর্থাৎ Amateur Club ছিল! গৌরবাবুর কৃতী ও প্রিয় ছাত্র প্রিয়নাথ বসুর উপরও ঐ রূপে অনেকগুলি ব্যয়ামশালার শিক্ষকতার ভার পড়ে।
গৌরবাবুর ছাত্রগণের মধ্যে এই প্রিয়নাথ বসু উত্তরকালে ‘প্রোফেসার বসু’ নামে সমধিক প্রসিদ্ধি লাভ করিয়াছিলেন। এই পুস্তকের প্রতিপাদ্য বিষয়ের সহিত তাঁহার সম্বন্ধ অবিচ্ছেদ্য। ইনিই বাঙ্গালীর সার্কাস ‘প্রোফেসার বোসের সার্কাসের’ প্রতিষ্ঠাতা ও অধ্যক্ষ ছিলেন।
জিলা ২৪ পরগণার অন্তর্গত ছোট জাগুলীয়া গ্রামে তত্রস্থ বসু বংশে প্রিয়নাথ জন্মগ্রহণ করেন। ইনি বাঙ্গালার প্রসিদ্ধ কবি ও নাটককার, পূর্বোল্লিখিত ‘হিন্দুমেলার’ অন্যতম উদ্যোগী মনোমোহন বসু মহাশয়ের কনিষ্ঠ পুত্র।
প্রিয়নাথ প্রথমে নিজের গ্রামের স্কুলে ও পরে কলিকাতার ‘মেট্রোপলিটন ইন্ষ্টিটিউসনে’ বিদ্যাশিক্ষা করেন। এই ছাত্রাবস্থা হইতেই তাঁহার ব্যায়ামচর্চ্চার প্রতি প্রবল অনুরাগ দৃষ্ট হয়। তিনি উল্লিখিত গৌরবাবুর নিকট রীতিমত জিমন্যাষ্টিক প্রভৃতি শিক্ষা করেন। প্রিয়নাথ ভাল জিমন্যাষ্টিক করিতে পারিলেও, জিমন্যাষ্টিক শিখানর ক্ষমতা তাঁহার অসাধারণ ছিল। তিনি গৌরবাবুর প্রবর্ত্তিত কয়েকটি ব্যায়ামশালায় শিক্ষকতা করিতে করিতে ভোলানাথ মিশ্র এবং “আউল চারু” নামে অভিহিত এক ব্যক্তিকে
৬