পাতা:বারীন্দ্রের আত্মকাহিনী - বারীন্দ্রকুমার ঘোষ.pdf/৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

പ്പറ്റ CV-SFSINSNISST SPISSVISg বালি সাহেবের কোটে মোকদ্দমা থাকিতে থাকিতেই আমার খেয়াল ঢোকে যে, জেল ভাঙ্গিয়া বাহির হইতে হইবে । তখন ধাতে রোমান্স ও মরিয়া সাহস যে পরিমাণে বেশী, মাত্ৰাজ্ঞান সেই পরিমাণে কম। এই রকম পরিণাম-কাণ দুঃসাহসী মানুষেই, জগতে এ সব অসম্ভব কাজ করিয়া থাকে ; চেষ্টা সফল হইলেই তবে লোকে স্বীকার করে “হা, হয় বটে”, কিন্তু গোড়ায় শুনিলে পাগলের পাগলামি বলিয়াই উড়াইয়া দেয়। এখন জীবনের বহুদৰ্শিতায় আমরা অনেক সজ্ঞান ও অনেক ধাতস্থ, কিন্তু এখনও আমার মনে হয় সেকালের বন্দোবস্তে আলিপুর জেল ভাঙ্গিয়া বাহির হওয়া খুব একটা কঠিন কাজ ছিল না । তখন জেলার ছিলেন চতুর্থপক্ষের স্ত্রীর আঁচলের মণি যোগেনবাবু; তিনি বৃদ্ধ ও স্থূলকায়, পটু জেলার হইলেও সেকালের বাঙালীর মতই বীর। তাহার চর্যানুচরের মধ্যে ছিল ভোজপুরী জেল পুলিশের দল, একজন চার বিল্লা ( Four striped ) হেড জমাদার, একজন তিন বিল্লা ( Three striped ) ছোট জমাদার ও কচি কচি বাঙালী নায়েব জেলার কয়টি । মাথায় আমার খেয়াল চুকিবামাত্রই পত্রপাঠ যোগাড়যন্ত্রে লাগিয়া গেলাম। কোটে যাইতাম আসিতাম ও সেখানে কয়েকজন বন্ধুর সহিত যোগাযোগে বন্দোবস্ত করিতাম। টাকার ব্যবস্থা হইল, অস্ত্ৰ সংগ্ৰহ চলিতে লাগিল বাহিরে বাহিরে ; স্থির হইল, ১০৷১২টি রিভলবার বাহিরে সংগ্ৰহ করিয়া জেলের মধ্যে একে একে আনানো