পাতা:বিচিত্রা (প্রথম বর্ষ দ্বিতীয় খণ্ড).pdf/৫১২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে চলুন অনুসন্ধানে চলুন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।

88 তাই এর কোনখানে একটু দুঃখের আভাস-একটি অাধাররেখায় ঈঙ্গিত নেই। আজ জীবন এখানে যৌবনের মতোঅশিষ্ট, অকুতোভয়, অনিৰ্দেশ্যমাত্রী । পরিণাম পরিমান করবার জন্যে আজ কেউ তুলাদণ্ড ধরে’ বসে’ নেই। হিসাবের বোঝা আজ নয়—আজি সবষ্ট বে-হিসাবা বেপরোয় बादशनांछिज्ञिक । DKYKKDB BBBBD DDS KBB DDBD DDBu DDS DDBD KKYuD DBD DDBDDDDSSS SLDB DBDBD DDS Dt BBtBBB DBDYJS KKSDD GLD KuKDS 0SY ৰূলকে ঝলকে বিদুৎ চমক উদিগরণ করছে। —মস্তকের ঈষৎ দোলনে, গ্লাবার ঈষৎ হেলনে, তাদের কণাকুণ্ডল চক্‌ মক্‌ ক’রে উঠছে, “তঁদের কণ্ঠ-বিলম্বিত মণিহার ঝক ঝক করে।’ উঠছে। অমন্বিত সন্ধান্ত নাগরিকেরা শ্রেণীবদ্ধ ভাবে আপন আপন আসন পরিগ্রহণ করেছে । ঠাদের চক্ষে উৎসব আলোক, আননে উৎসব-দাপ্তি, অন্তরে উৎসব-দেবতার স্পশ । আজি মত্তোর কোন মন্থণা নয়- আজি অমর, বতার भूडा-ीडन श्रां°नi-6डाला भद्ध ठ। নৃতারত রঙ্গনা। --বেণুবাদকের লাশীর সুর উচ্ছসিত উল্লসিত বিচ্ছুরিত ত'য়ে চারিদিকে ছড়িয়ে পড়ছে! লাশীর সুরা যেন বলছে বসন্তু ও যৌবন-বসন্ত ও নৌবন যৌবনের কণ্ঠে যে বিজয়মাল্য তারি। ফলে ফুলে বসন্তের হৃদয় ছেয়ে গেল।--বসন্মের অন্তরে যে রহস্য তারি সম্পশে স্পর্শে যৌবনের বক্ষ স্পন্দি দ্য tSu uDDS SBDBDB DBDSKYS BDBD BBBDS DDBK 0 যৌবন — বসন্ত ও মৌলান বসন্ত ও যৌবন বাসস্থ যৌবনকে ডাকে তার সবুজ ওড়না উড়িয়ে, ‘ওরে আয় আয় আয়— বসন্তু যৌবনকে ডাকে তার ফুল-কাননের হাসি ছড়িয়ে, SEB BDD DBDD DKDS DKB DDDDBDB uDBBBD BB BDD KKS 6नल छेि वांख्यि, '७८त अग्र श्राम श्राम्र"---नगश्र 9 (गोवन—লুবন ७ नगल-- (गोवन नगश्ठ-- बेंगछ् ’s cगोदन -बनत्र ७ cोवन-६शोवन बद्दल 'ॐ DD DD DSSJJYzY Y BBB DBDBDD DBDBB DDD আছে ? মোক ? প্ৰেম ? অনুরাগ ?- তোমার ঐ <éĜ> [ ফুল-কাননের হাসির অন্তরালে কি আছে ? ছলনা ? অবহেলা ? মরীচিকা ?’-তোমার ঐ নীল গগনের দৃষ্টির আড়ালে কি আছে ? বিরহ ? অভিমান ? অশ্রু ? -cपोवन बंग, 'शे याझे षाझे गांशे'-वगळु ।७ (ोवन6गोदन ७ दनङ-6शोदन बनड र्गठ्ठ ७ cषोन्-त्रुनश्ठ ७ (षोबन-तुन ६गोष्बन:क्र ডাকে তার সারা বছরের চেয়ে থাকা অপেক্ষা নিয়ে, ‘ওরে আয় আয় আয়'-তার সারা অন্তরের গুমরে-মরা অশ্রু८शा७च-श्रत निन, '७ल श्रांघ्र थांश श्रांब्र'-डांत नॉन। १लকের গমকে থাকা প্ৰাণ নিয়ে ‘ওরে আয় আয় আয়'--- যৌবন বলে, “ এটি সাই মই যাই।”—তোমার সারা বছরের চেয়ে-পাক। অপেক্ষ নিঃশেষ হ’বে কি একটা মাত্র দীর্ঘশ্বাসে ? তোমার সারা অন্তরের গুমরে-মরা অশ্রু-ধোওয়া সুর ক্ষান্ত হ'বে কি একপানি মাত্র গানে ? তোমার নানা পুলিকের থমকে থাকা প্ৰাণ তৃপ্ত তবে কি একটা মাত্র দৃষ্টি-বিনিময়ে ? —যৌবন বলে “এই যাই যাই সাই—বসন্তু ও যৌবন যৌবন 'ও বসন্ত-যৌবন বসন্ত এই বেণুরই তালে তালে নৃত্যরত রঙ্গনা । নৃত্যের তালে তালে একটা স্পন্দন-ছন্দ দিকে দিকে বিছুরিত হ’য়ে সাচ্ছে, সে ছন্দ সেন কেবলি বলছে, এই বিশ্বজগতে আর কিছু নেই কিছু নেই কিছু নেই—আছে কেবল সঙ্গীত ও সৌন্দৰ্য্য। রঙ্গনার নৃতাশীল চরণ যেখানে যেখানে পড়ছে প্ৰতি মুহূৰ্ত্তে মনে হ’তে লাগল যেন সেই সেই খানে পদ্মবিকসিত হ’য়ে উঠবে। তার দেহের কখনও ঋজু কখনও দ্বিভঙ্গ কখনও ত্ৰিভঙ্গ নানা বিলাসে, তা’র বাহুদ্বয়ের নানা ভঙ্গীতে, তার বেণীর দোলনে, গ্রীবার হেলনে সৌন্দৰ্য্যের দেবতা যেন ঠিার পুলক-ভরা প্ৰাণ চারিদিকে বিছুরিত করে দিয়ে শরীরী হ’য়ে উঠল। বৃত্তাকারে, অৰ্দ্ধবৃত্তাকারে, ঋজুরেখায়, ত্রিকোণ চতুষ্কোণ নানা আকারে যেন মন্ত্ৰপুত চরণ দু’খনি শিঞ্জিনীগুঞ্জনের "ভালে তালে বিশ্বের পুলকরাশি উজাড় করে সভাতলে ছড়িয়ে দিতে লাগিল । যেন দেশ কাল পত্ৰ একটা সৌন্দৰ্যা ও সঙ্গীতের গহন চেতনার মাঝে নিশ্চিহ্ন হয়ে মুছে গেল। চিত্ৰাপিত দৰ্শকবৃন্দ, ৰেণুৱা একটী সুর, আর তারি মাঝে একটী সৌন্দৰ্য্য-প্ৰাণের গতিভঙ্গী । রঙ্গনার