ატტ8 ] রূপতত্ত্ব ও রূপান্তষ্টি v98 শ্ৰীযামিনীকান্ত সেন না। Art হচ্ছে সৌন্দর্ঘ্যের স্বপ্ৰকাশ স্বরূপ; যে পরিমাণে হাভেল সাহেব হ’তে আরম্ভ করে বৈদিক পণ্ডিত ম্যাক তা' ধৰ্ম্মগতভাবের গুঢ় ব্যঞ্জনা বা রূপকাত্মক, সে পরিমাণে তা’ আর্টের বাইরের জিনিষ--এই হচ্ছে আর্টের ক-খ-গ। কাজেই আদিকালের এ-সব ব্যাখ্যা সম্প্রতি পদ্মপত্রে জলের মত অনিশ্চয়তার উপর দুলছে। মোট কথা, এখনো ভারতীয় আর্টের একটা স্বরূপগত ব্যাখ্যাই কেউ দিতে পারেনি। এজন্যই কোন জৰ্ম্মণ 9ffey argo. -Indian Art is the most rich in riddles among the arts of many nations' I ভারতীয় আর্টের নানা যুগের নানা স্তরে অনেক কিছু অনুধাবন করুবার আছে। যারা এ-পর্য্যন্ত তা’র ব্যাখ্যা দিতে চেষ্টা ক’রেছেন, তাদের বেহুস ভ্রান্তি ব্যাপারটিকে আরও জটিল ক’রে তুলেছে। যারা সৌন্দৰ্যতত্ত্ব জিনিষটা কি তাই জানেন না,-আির্তারাই এত কাল ভারতীয় আর্টের গুরুগিরি করবার। প্ৰগলভত ক’রেছেন। দুঃখের বিষয় নিন্দ অপেক্ষা প্ৰশংসা করা অনেক সময় কঠিন । রাসকিন টাৰ্ণার-এর চিত্রকলাকে বাড়িয়ে তুলে পাঁচ ভ'লুম বই লিখে ফেল্লেন। শেষে যখন দেখা গেল যে, প্ৰশংসাট অবাস্তর ও ভ্ৰান্ত ভিত্তির উপর নিহিত, তখন টাৰ্ণার-এর আর্টে বাস্তবিক যে বহুমূল্য সম্পদ আছে সে সম্বন্ধেও সকলে এমন অন্ধ হ’য়ে প’ড়লো যে, টাৰ্ণারের দাম একে TCH T'La Csse 制 ভারতীয় আর্টের যথার্থ সম্পদ কোনভিত্তির উপরস্থাপিত তা” দেখতে হবে। সৌভাগ্যক্রমে সকলেই এখন স্বীকার ক’রছেন, যে ভারতীয় আর্টের আলোচনার ‘ক’-“খ”-“গ”-ও বাস্তবিক সুচিত হয় নি। পণ্ডিতেরা ব’লেছেন যে প্ৰায় প্ৰত্যেক সন্ধিস্থলে বিপরীত ও প্ৰতিরোধী মতামত উপস্থাপিত করা হয়েছে। এ অবস্থায় ভারতীয় আর্ট সম্বন্ধে একটু পরিষ্কার আলোচনা হওয়া নিতান্ত দরকার। “ইণ্ডিয়ান আট” নিয়ে নাড়াচাড়া ক’রতে গিয়ে পশ্চিমের পণ্ডিতেরা অনেক জায়গায় বেশ একটু ঠেকেছেন,- --বেমন ভারতীয় মূৰ্ত্তির বহুসংখ্যক মুখ ও হস্তের প্রাচুৰ্য্য দেখে। এইখানে এসে নানা মুনি নানা মত দিয়েছেন- অথচ কোন মতের উপরই কারুর আস্থা নেই। হ’য়েছিল। ডোনেল, কুমারস্বামী পৰ্যন্ত এবং আধুনিক অনেক চুণোপুটি ঐখানে এসে বিষম খটুকায় পড়েছেন। অথচ এই বহুবাহুত্ব, বহুশীৰ্ষস্ব ভারতীয় আর্টের একটি cormerstone 3 ७9ांक ऊँroय कब्र बां উড়িয়ে দেওয়া সহজ নয়। অথচ য়ুরোপ ওটাকে এবং আরও অনেক কিছুকে কোনরকমেই গ্ৰহণ ক’রতে পারেনি। cन या।श् cशक, (थछे डांब्रडौम्र 'आयल डिडन नाना DBDDB LBD BBD BBB BLD DELY DDD SS S DBBLBYS DD মনস্তত্ব তা”তে প্ৰতিফলিত হ’য়েছে। এত বিচিত্র রূপমাল্য কোন শিল্পই মানব জাতিকে দিতে পারেনি । সৌন্দৰ্য্যের বিশুদ্ধ প্ৰকাশের দিক হ’তে ব্যাপারটি বিস্ময়জনক ব’লতে হবে । ভান্ধৰ্য্যে ও চিত্রকলায় নানারকমের বিপরীত পদ্ধতিও দেখতে পাওয়া যায়। স্বভাববাদের দিক হতে সাঁচিতে প্ৰাপ্ত ব্যক্ষিণী মূৰ্ত্তি চমৎকার, কিন্তু যক্ষ-মুৰ্ত্তিতে হয়ত সেরকম রীতি রক্ষিত হয়নি। চমৎকার স্বভাবানুগ হস্তীমূৰ্ত্তি যেমন রয়েছে, তেমন কল্পিত অনেক জান্তব-মুৰ্ত্তিও ভারতীয় শিল্পে পাওয়া যাবে। যে-সব সাহেবের সেকেলে গ্রীকভঙ্গী ছাড়া আর কিছুষ্ট সহ করতে পারেন না, তারাও ময়ূরভঞ্জে নবাবিষ্কৃত ভারতশিল্পের নমুনা দেখে স্তন্ধ হ’য়ে যাবেন । অজন্তার শিল্পী একটা মনোহর মধ্যপথ রক্ষণ ক’রে রেখা ভঙ্গীর উলসিত৷ লীলায় আত্মহারা হয়েছেন। পরিচিত জগৎকে অমন decorative দিক হ’তে রচনা করা কোন শিল্পেই পাওয়া যাবে না। শিল্পের ইতিহাসে কোথাও সহজে শিল্পী নিজের কলালীলাকে কোনো বিশেষ মাৰ্গে আবদ্ধ করেননি । য়ুরোপ এক সময় একটা কঠোর “viria(s” fetish ক’রে তুলে নিজের কলালালিত্যকে ধ্বংস ক’রতে উদ্যত বৈজ্ঞানিক যুগের নিয়মতািত্রতায় প্ৰলুব্ধ DDBD BBDDOBB DBDBDDBB BDBDB BDDD DBL নিতে সুরু ক’রেন এবং সৌন্দৰ্য্য-রচনার বিধি উপস্থাপিত q's eat Pir ster vote Classic e High Renaissance আদর্শকে একমাত্ৰ মানদণ্ড ক’রে জগতের যাবতীয় শিল্পসম্ভারকে পরিমাপ করা হয়। সে
পাতা:বিচিত্রা (প্রথম বর্ষ প্রথম খণ্ড).pdf/৩৬৮
অবয়ব