দ্বিতীয় অঙ্ক বিজয়৷ ৬৭ (উৰ্দ্ধমুখে চাহিয়া) নিরস্তর প্রার্থনা করছি আপনি শীঘ্র নিরাময় হোন, শুভকৰ্ম্মে যেন বিঘ্ন না ঘটে । ইহার পরে কিয়ংকাল ধরিয়া সকলের কুশল প্রশ্নদি ও প্রীতিসম্ভাষণ চলিল। সকলে পুনরায় উপবেশন করিলে রাস । আমার আবাল্য সুহৃদ বনমালী আজ স্বর্গগত ! ভগবান তাকে অসময়ে আহবান ক’রে নিলেন—তার মঙ্গল ইচ্ছার বিরুদ্ধে আমার নালিশ নেই, কিন্তু তিনি যে আমাকে কি করে রেখে গেছেন, আমার বাইরে দেখে সে আপনার অনুমান করতে পারবেন না। অঞ্চমীদের উভয়ের সাক্ষাতের অপটি যে প্রতিদিন নিকটবর্তী হয়ে আসছে সে আভাস আমি প্রতি মুহূর্ক্সেই পাই। তবুওঁ সেই পরমব্ৰহ্মপুছদ এই প্রার্থন, আমার সেই দিনটিকে যেন স্তিমি আৗরঙ্ক সক্লিকটৱৰ্ত্ত-ক'রে দেন। রাসবিহারী জামার হাতায় চোখটা মূছিয়া আত্মসমাহিত ভাবে রহিলেন । উপস্থিত অভ্যাগতরাও তদ্রুপ করিলেন । আবার কিছুকাল চুপ করিয়া বনমালী আমাদের মধ্যে আজ নেই—তিনি চলে গেছেন ;– কিন্তু আমি চোখ বুজলেই দেখতে পাই, ওই তিনি মৃদু মৃন্থ মাস্থ্য করছেন । সকলেই চোখ বুজিলেন । এই সময় বিজয়ী ও বিলাস প্রবেশ করিলেন । বিজয়ার মুখের উপর বিষাদ ও বেদনার চিহ্ন ঘনীভূত হইয়া উঠিয়াছে তাহা স্পষ্ট দেখা যায়
পাতা:বিজয়া-শরৎচন্দ্র চট্টোপাধ্যায়.djvu/৭৪
অবয়ব