পাতা:বিভূতি রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড).djvu/৩৮৪

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


शेिछुडि-ब्रप्लेनीयशैौ । بر সেখানে। ওই অঞ্চলে জমিদারী কেনেম-ওরে সিঙাড়া আরও নিয়ে আয়-খান খানগরম সিঙাড়া—সব বাড়ীতে তৈরি—দোকানের জিনিস মশাই এ বাড়ীতে টোকে না। অামার , বড়বৌমার হাতে ভাজা সব। বড় ছেলে ? সে এখানে নেই-কাস্টম্স্-এ কাজ করে—এবার আড়াই-শ-হল—বিয়ে দিয়েছি আজ পাচ বছর—তার শ্বশুরও জমিদার-রায় সাহেব হরিনাথ বাড়জ্যে, হালিসহরের—নাম শুনেছেন বোধ হয় ? চা দিয়ে যা এবার— * একটি বার-তের বছরের সুত্র বালিকা পান লইয়া আসিয়া সলজ্জ সঙ্কোচে দরজার নিক দাড়াইল । —কি ওতে রে খুকি ? পান ? রাখ এখানে রাথ—এইটি আমার ছোট মেয়ে মিনতি । লজ্জা কি এদের কাছে। বেশ গান গায়, আজি সভাতে গাইবে এখন । আবুত্তিতে আর বছর মেডেল পেয়েছিল- জলধর সেন শুনে কেঁদে ফেললেন একেবারে— কৰ্ত্তব্য ও শোভনতার খাতিরে খুকিটিকে কাছে ডাকিয়া দু-একটি মামুলি ছেদো কথা জিজ্ঞাসা করি, তাহার আবৃত্তি পুনরায় আমাদের কাছে করিবার জন্য জিদ ধরি, এবং পরক্ষণুেই জিজ্ঞাসা করি—তাহলে ওঠা যাক সব—কি বলেন ? সভার টাইম তো হল— —ওরে কানাই, গাড়ীখানা আনতে বল চট করে, গেটের কাছে নিয়ে আমুক— —না না, গাভী কি হবে। দরকার নেই রায় বাহাদুর। হেঁটেই এটুকু— —বিলক্ষণ! ক্লাব ঘর এখান থেকে দশ মিনিটের রাস্তা। হেঁটে যাবেন কেন, গাড়ী যখন রয়েছে—নিয়ে আয় রে—বলে দিলি না গাড়ীর কথা ? সদলদলে গাড়ীতে উঠিতে যাইতেছি এমন সময় একটি আট ন বছরের বালক পিছন হইতে আমায় ডাকিয়া বলিল—ম আপনাকে ডাকছে— প্রায় চমকিয়া উঠিয়াছিলাম আর কি। বিস্ময় ও অবিশ্বাসের দৃষ্টিতে ছেলেটির দিকে চাহিয়া বলিলাম—কাকে ? কে ডাকছেন বললে থোক ? বালকটি দৃঢ়কণ্ঠে বলিল—আপনাকে মা ডাকছেন। @ উপস্থিত ব্যক্তিবর্গের মধ্যে সকলেই বিস্মিত হইয়া উঠিয়াছিলেন, কারণ আমি এ স্থানে পূর্বে কখনও আসি নাই, বালকটি আমায় কখনও দেখে নাই ইহা নিশ্চিত। একজন জিজ্ঞাসা করিলেন—তোমাদের বাড়ী কোথায় থোক ? আর একজন বললেন—আরে ও তো আমাদের হরিজীবনের ছেলে । তুমি হরিজীবনের ছেলে না ? হ্যা। ওই দোতলা বাড়ী। একে ডাকছেন তোমার মা ? এই বাবুকে ? 崛 বালক চারিদিক হইতে জেবায় একটু দমিয়া গিয়া সঙ্কোচের স্বরে বলিল—এই বাবুকেই তো ম। বললেন ডাকতে । মা বললেন—যিনি চাদর গায়ে গাড়ীতে উঠছেন— —যান মশায়, দেখে আমুন। ওর বাবার নাম হরিজীবন মুখুজো, রেলে কাজ করে, আমাদের এখানে বাসা । চিনতে পেরেছেন । হরিজীবন এখন বাড়ী নেই, বোধ হয় ডিউটিতে