পাতা:বিভূতি রচনাবলী (অষ্টম খণ্ড).djvu/৪৭২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


68 बेिङ्कडि-ब्रध्नावलौ বড় নৌকাখানা সেখানে বাধা ছিল । কাঠের নৌকার মাঝ বলিল-খোক, নৌকো দেখবে নাকি ? ভালুকে দুবাবু বলিতে হইল না। সান্টকে লইয়া তখনি নৌকায় উঠিল। নৌকার মধ্যে কত কি যে জিনিস ! মস্ত নৌকার খোলে লোকেদের বসিবার ও শুইবার জায়গা। রান্নার জন্যে উকুন আছে, ইড়ি আছে । বড় একটা বিলিতি কুমড়ো দড়ির শিকেতে ঝুলানো । so মাঝিকে ডালু বলিল—তোমরা এখানে খাও? –źIl | —কি রাধে ? —যা পাই থোকা । আমরা গরীব লোক, কিনবার ক্ষামত নেই তো ! --আচ্ছা, তোমরা কত জায়গায় গিয়েচ ? —তুমি চিনবে না সে সব জায়গা। বরিশাল জেলার নাম শুনেছ ?. সেই বরিশাল জেলা। —কি আছে সেখানে ? o —হাঙর আছে, কুমির আছে, দু-মুখো সাপ আছে। কত রকমের জানোয়ার আছে । লালমুখে বানর আছে। দু-মাথাওয়াল তালগাছ আছে। সান্ট চোখ বিস্ময়ে ও কৌতুহলে ডাগর-ডাগর হইয়া উঠিল। এমন কথা সে কখনো শোনে নাই। লালমুখে বানর ও দু-মাথাওয়ালা তালগাছ না জানি দেখিতে কি রকম ! সে বলিল—-তালগাছে হাড়াকাটার মা আছে ? -उँj ! —হঁড়োকাটার মা আছে তালগাছে ? —সে আবার কি ? ডালু বিজ্ঞের মত মুখখানা করিয়া বলিল—ও ছেলেমানুষ, ওর কথা ছেড়ে দাও। কি বাজে কথা বলচে । 龜 মাঝি বলিল—মন্তবড় কুমির আছে সেখানে বুঝলে ? তেমন কখনো দেখে নি। ডালু বা সান্ট কোনোদিন একটি অতি ক্ষুদ্র গিরগিটির মত কুমিরও দেখে নাই ; মস্তবড কুমির তো দূরের কথা! দু-জনেই চুপ করিয়া রহিল। একজন বুড়ো মাঝি নৌকার গলুইতে বসিয়া বেগুন কুটিতেছিল। সে বেগুন-কোটা ফেলিয়া রাখিয়া এদিকে আগাইয়া আসিয়া বলিল—ও কি শুনচো খোক-বাবুরা ? আমি নিজের চোখে যা সাপ দেখেচি স্বদর-বনের— ডালু ও সান্ট উভয়েই অধীর আগ্রহে বলিল—কত বড় ? —তালগাছের মত মোট । ডালু বিস্ময়ের স্বরে বলিয়া উঠিল—উঃ রে! আর কত লম্বা ? –ញុs fo-sត្ត។