পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


जटैर्थ छल } e:9 --আপনার কথা আমি গুনেচি | —এসো বলে । এ চলে ? —আজ্ঞে না, ওসব খাইনে । ঝডু মল্পিক পার্শ্বচরের দিকে চেয়ে বললে—যাও হে, তোমরা একটু বাইরে যাও—আমি ওঁর সঙ্গে একটু কথা বলি। সবাই চলে গেল। আমার কাছে ঘেষে বসে নীচু স্বরে বললে —তোমার স্ত্রী ? 一可t比 —সে আমি বুঝেচি। কি সম্পর্ক তাও বুঝলাম। আমি একটা কথা জানতে চাই। তুমি ভাই এর মধ্যে কেন ? —তার মানে ? —তার মানে তুমি ভদ্রলোক। আমি মাহুষ চিনি। এর সঙ্গ ছেড়ে দাও। আমি ভূক্তভোগী, বড় কষ্ট পেয়েচি দাদা। কি করতে ? —ভাক্তারি। —লত্যি ? কি ডাক্তারি ? —এম. বি. পাশ ডাক্তার। বড় মল্পিক সন্ত্রমের মুখে বলে উঠলো—বসে, ভালো হয়ে বসে। নাম জিজ্ঞেস করতে পারি? না থাক, বলতে হবে না। এখানে কতদিন ? —তা মাস ছ’ সাত হয়ে গেল । —বড় কষ্ট পাবে। আমিই বা তোমাকে কি উপদেশ দিচ্চি ! আমি নিজে কি কম ভোগ ভুগেচি ! এখনো চোখের নেশ কাটে.নি। মেয়েটির নাম কি ? —পান্না। —বেশ দেখতে। খুব ভালো দেখতে । আমি ওকে দেখে অবাক হয়ে গিয়েচি । আমন মেয়ে এ রকম খেমটার আসরে বড় একটা দেখা যায় না। আচ্ছা, আমি তোমাকে কিছু বলবে না আর ও নিয়ে। তুমি এখন ছাড়তে পারবে না তাও জানি। ও বড় কঠিন নেশা, নাগপাশ রে দাদা। • বিষম হাবুডুবু খেয়েছি ও নিয়ে। নইলে আজ ঝড়, মল্লিক সোনার ইট দিয়ে কোঠা গাখতে পারতো। এ কি রকম মেয়ে ? পয়সাথোর ? —না, তার উণ্টো । বরং রোজগার করে ও, আমি বসে বসে খাই। পয়সাথোর মেয়ে ७ अम्न | মোটামুটি বড়, মল্লিককে সব কথা বললাম। লোকটাকে আমার ভাল লেগেছিল, লোকটী কবি, এতেই আমি ওকে অন্য চোখে দেখেচি। নইলে এত কথা আমি ওকে বলতাম না । বাড়, মল্লিকের নেশা যেন কেটে গিয়েচে। সব শুনে বললে—এ নিয়ে আমার বেশ ভাবগান তৈরি হয়। আসলে কি জানো ভায়া, ভাবেরই জগৎ । যার মধ্যে ভাবের অভাব,