পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/১৩৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


अटैथ जण >\\! নতুন নেশার মাথায় মাযের কাওজান থাকে না—তোমার দোষই বা কি ? আমারও eहेब्बकत्र श्रब्रझिज खांब्रl। उद्भव आंबांद्र शै cनहे, चब्र थiलि, शंeब्र रहेछ ए ए कहब्र !-कांल তোমায় একবার বলেছিলাম যে তুমি ীিপুত্র ছেড়ে বেড়াচ্চ পান্নার পেছনে, কিন্তু রাজে ভাবলাম মা লক্ষ্মী তো নাও থাকতে পারেন । তাই জিজ্ঞেস করলাম। আমার ব্যাপার শুনবে ? অাজ ঝড়, সোনার ইট দিয়ে বাড়ী গাখতো, তোমাকে বললাম ষে-- क्षप्ल, ७कÉ जष भन्न रँगंगरज ? জায়গাটার নাম সোনামুখী, সেখানে বড় আসরে ভাব গাইতে গিয়েছিল ঝড় । একজন অগ্রদ্ধানী বামুনের বাড়ীতে ওর থাকবার বাসা দেওয়া হয়। বাড়ীতে ছিল সেই ব্রাহ্মণেৱ স্ত্রী, দুই মেয়ে আর এক বিধবা ভ্রাতৃবধূ। এই বস্তুটির বয়স তখন কুড়ি একুশ, পরম স্বন্দরী —অন্তত: ঝডুর চোখে । অনেক রাত্রে ভাবের আসর থেকে ফিরে এলে এই মেয়েটিই তার খাবার নিয়ে আসতো বাইরের ঘরে। ঝড়, তার দিকে ভাল করে চাইতে না। ঝড়, ভদ্রলোক, আমন অনেক গেরস্ত বাড়ী তাকে বাসা নিয়ে থাকতে হয় কাজের খাতিরে দেশে ৰিদেশে। গেরস্ত মেয়েরা ভাত বেড়ে দিয়েচে সামনে, কখনো উচু চোখে চায় নি। —সেদিন মেয়েটি ডালের বাটি সামনে ঠেলে দিতে গিয়ে আমার হাত্তে হাত ঠেকলো । বুঝলে ? অামার মুখ দিয়ে হঠাৎ বেরিয়ে গেল—আহা ! মেয়েটি বললে—গরম ? জাৰি বললাম—ন, সে কথা বলি নি। হঠাৎ আপনার হাতে হাত লাগলো, সেজন্ধে আমি বড় দুঃখিত। কিছু মনে করবেন না। ডাল গরম নয়, ঠিকই আছে। —মেয়েটি বললে--আপনি চমৎকার ভাব তৈরী করেন— —আমি বললাম—আপনার ভালো লেগেচে । —মেয়েটি পঞ্চমুখে স্বখ্যাতি করতে লাগলে মামার গানের। এমন নাকি সে কোথাও শোনে নি। রোজ সে আসরে গিয়ে আমার মুখের দিকে অপলক চোখে নাকি চেয়ে থাকে। তারপর বললে, সে নিজেও গান বাধে। আমি চমকে উঠলাম। একজন কবি আর একজন কবি পেলে মনে করে অন্য সব জন্তু-মাজুষের মধ্যে এ আমার সগোত্র । তাকে বড় ভাল লাগে। আমি সেই মুহূর্তে মেয়েটিকে অন্য চোখে দেখলাম। বললাম—কৈ, কি গান ? দেখাবেন আমায় ? সে লজার হাসি হেয়ে বললে—সে আপনাকে দেখাবার মত নয়। —কিন্তু শেষ পৰ্য্যন্ত দেখালে। সে দিন নয়, পরের দিন ছুপুরবেলা। বাইরের ঘরে গুয়ে বিশ্রাম করচি, বৌটি এসে বললে—ঘুমিয়েচেন ? সেই গান দেখবেন নাকি ? —আমি বললাম—আসুন, আন্থন। দেখি— —মেয়েটি একখানা খাতা আমার সামনে ফেলে দিয়ে ঘর থেকে চলে গেল। - --আমি বসে বসে সব গানগুলো মন দিয়ে পড়লাম। বেশ চমৎকার ভাব আছে কোনো কোমো গানের মধ্যে। আসলে কি জানেন, মেয়েমান্বষের লেখা, যা লিখেচে তাই ৰেন অসাধারণ বলে মনে হতে লাগলো। আমার মনের রঙে রঙীন হয়ে উঠলে ওর লেখা। —আধঘণ্টা পয়ে মেপ্লেট আবার ফিরে এল। বি, ?} כל-"