পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/২৯২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


২৭২ বিভূতি-রচনাবলী তা শুনবেন না। রাত দুপুরে উঠে বাধিয়ে দিয়েছেন গোলমাল। ও রকম করলে থাকুন আপনি সংসারে, আমি এক দিকে বেরুই । মাকে ঠাকুরদাদা ভয় করতেন। মা ঘরে পা দিতেই তিনি বেশ নরম হয়ে এসেছিলেন, মুড় স্বড় করে চাদর মুড়ি দিয়ে শুয়ে পড়লেন । সকালে উঠে আমায় কাছে ডাকলেন—শোন মনু -कि ? - —দাদাভাই, দাছ আমার, একটা পয়সা দেব এখন— ঠাকুরদাদা নিঃস্ব নিষ্কপর্দক লোক, তিনি পয়সা দেবেন এ কথ। যদিও আমি বিশ্বাস করি নে, তবুও বলি—কি বলছেন ? —তোর বাবার চিঠি এসেছে ? -नी | —আজ কি বার ? —সোমবার | —হরিশ কবে আসবে ! —বুধবারে । --उषiष्ट्झ ध1 ।। বুধবারে বাবা কি জন্যে যেন এলেন না, কি জানি । ঠাকুরদাদা সারাদিন রোয়াকে বসে রইলেন, গম্ভীর মুখে তামাক খান আর মাঝে মাঝে বলেন-কে এল? অ হরিশ ? কিসের পায়ের শব্দ রে, ও ফুচু, ও নীলু— ফুচু বললে—আমাদের রাঙী গাইএর বকুনা, ঠাকুরদা। —S ] এই রকম চলল সারা দিন । রাত্রে খাবার সময় খেতে বসেছেন, আর মাঝে মাঝে কান খাড় করে রেলগাড়ীর শব্দ শোনবার চেষ্টা করছেন ; মুখে কিছু বলেন না । হঠাৎ বড় গম্ভীর হয়ে গিয়েছেন। আমি তামাক সেজে ঘরে ঢুকতেই চমকে ༤༑ বললেন—কে ? —আমি মন্ত্র । ←Ꮢ —নটার গাড়ি গিয়েছে জানিস ? —এখনও যায় নি। আপনি শুয়ে পড়ুন। —শব্দ পাস নি গাড়ীর ? } al--سه | 63-اس বাবার কথা মুখেও আনলেন না । বললেন—পান ছেচে এনেছিল ? নিয়ে আয়। বাৰা তার পর দিনও এলেন না । ঠাকুরদাদা কিন্তু আশ্চৰ্য্য রকমের গম্ভীর হয়ে গিয়েছেন। আর কিছু জিগ্যেস করেন না বা বাবার নাম ধরে ডাকেনও না।