পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/৩৭১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


কুশল পাহাড়ী O¢x মনের আনন্দে সে বলে যাবে—ও বাবা, ও মতিলাল, কি করচিম ? বেরিয়ে চলো ? আমি যাই । —কোথায় যাচ্ছিল রে ? —মুকি আনতে । —আর কি আনতে ? —চিনি আনতে । —আর কি আনতে ? —মাছ । "—আর কি ? খোক ভেবে ভেবে ধাড় ছলিয়ে বলে—আউভাজ —বেশ । খানিকদূর গিয়ে খোকা আর বাবার কাধে থাকতে রাজি হয় না। তাকে পথে নামিয়ে দিলে সে গুটি গুটি হেঁটে চলে । দু-একবার পড়ে যায়, আবার ঠেলে ওঠে । হঠাৎ এক জায়গায় গিয়ে খোকা আর চলে না। সামনের দিকে কি একটা জিনিস সে লক্ষ্য করে দেখচে । —চল এগিয়ে, দাড়ালি কেন ? খোকা ছোট্ট হাত দুটি প্রসারিত করে বলে নাটকীয় ভঙ্গিতে—বিচন কাদা ! —কোথায় ভীষণ কাদা রে ? কাদাই নেই রাস্তায়—চল— —বিচন কাদা ! ••• —তবে নামলি কেন কোল থেকে ? অয় আবার কোলে আয়— আবার চলতে শুরু করলো খোকা । বেশ খানিকটা গেল গুট গুট করে । একটা জায়গায় পথের পাশে একটা শুকনো কিসের ডাল পড়ে থাকতে দেখে থেমে গেল । আঙুল বাড়িয়ে বল্পে— বাবা-অাটি—আমি নিই— —যাতে তাতে হাত দিও না— —বাব আমি নিই— —নাও— 穩 খোকার একটা গুণ, বাবার বিনা অনুমতিতে সে কোন একটা কাজ হঠাৎ করতে চায় না । এইবার সে তুলে মিলে লাঠিটা। আশপাশের গাছপালার গায়ে সপালপ মারতে লাগলো। ওর বাবা বলে—ফেলে দে—ও খোক, এইবার ফেলে দাও লক্ষ্মীটি— —ও মতিলাল ? --किं ? —কি করচিল ? —বেড়াতে যাচ্চি বাবা । লাঠিটা ফেলে দে–লক্ষ্মী খোক, লাঠি ফেলে দে–