পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/৩৭৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


कृंत्रण नांशफ़ौ * θεό সে দ্বিগুণ উৎসাহে বাবার মুখের আরো কাছে হাত নিয়ে গিয়ে বল্পে-বাবা, খা— —না না । তুমি খাও— —বাবা, খা না— থোকার এবার কান্নার স্বর। অমন মিষ্টি জিনিসটা বাবাকে সে খাওয়াবেই । মতিলাল ধমক দিয়ে বঙ্গে—আ: খাওনা ? আমার মুখে কেন ? —বাবা, খা না— এবার বোধ হয় সে কেঁদেই ফেলবে । অগত্যা মতিলাল খোকার হাত থেকে মিছরির টুকরোটা নিয়ে খাবার ভান করে আবার ওর হাতে দিলে । খোকাকে তোলানো অত সহজ নয়। সে বাবার মুখের দিকে চেয়ে বল্লে, মিটি ? —খুব মিষ্টি । —না রে বাপু, বিরক্ত করলে দেখচি— বন্ধুর বাড়ীতে অনেকে বসে ছিল, তাদের মধ্যে কেউ কেউ বল্লে—খোকা কি বলচে । মতিলাল বল্পে, মিছরি দিচ্ছে খেতে— ওর বন্ধু বল্লে—ও খোকা, বাবাকে কি দিচ্চ ? মিছরি ? তুমি খাও । এই সব স্থূলবুদ্ধি লোকে কি বুঝবে—খোকা তাকে কতখানি ভালবাসে বা সে খোকাকে কতখানি ভালবাসে। এদের কাছে কিছু বলে লাভ নেই। পিতাপুত্রের সেই স্বল্প অবিচ্ছেদ্য ভালবাসার গৃঢ় তত্ত্ব, যা মুখে বলা যায় না, যার বলে এক বছরের শিশু তার অত বয়সে বড় বাপের মনের ভাব বুঝতে পারে, সে জিনিসের ব্যাখ্যা যার তার কাছে করে কি হবে ? মতিলাল বল্পে—খাও তুমি— খোকা হাত বাড়িয়ে বল্লে—খা না বাবা— মতিলাল খোকাকে কোলে নিয়ে বন্ধুর বাড়ী থেকে উঠলো। খোকার মনে বার বার কষ্ট দেওয়াও যায় না, অথচ ওদের সামনে খোকার মুখ থেকে বের করা তার লালঝোলমাখা মিছরি খায়ই বা কি করে ? ওরা পথে নামূলো। টুম্বর ক্ষুদ্র জগতে সন্ধ্যা হয়ে এলো। আশপাশের পথে, বনে, ভাটুইবনে অন্ধকার নেমেচে । জোনাকি জলচে কালকাস্কন্দে গাছের ঝোপের আশেপাশে, ঘাড়াগাছের নিবিড় পত্রপুষ্পের মধ্যে, বনমরচে লতার চারু অগ্রভাগে। অন্ধকারের গহবর থেকে যেন ফুটে উঠচে একে একে জ্যোতিল্পের্শক, নীহারিকালোক । মতিলাল আঙুল দিয়ে দেখিয়ে বল্পে-ও কি জলচে রে ? —জোনা পোকা । নিয়ে এসো বাবা— —তুই নিবি একটা ? || lلاسه دهم-د دة f۹۰