পাতা:বিভূতি রচনাবলী (একাদশ খণ্ড).djvu/৪১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


आहेशं खल ২১ সারি ঘরের মধ্যে ঢুকলো। আমার মনমেজাজ খারাপ হয়ে গেল অত ভিড় দেখে। ভেবেছিলাম, কাজ সেরে সকাল সকাল সরে পড়ব এবং সন্ধ্যার আগে বাড়ি পৌঁছে চ খেয়ে সনাতনদার সঙ্গে বসে এক বাজি পাশা খেলবো, তা আজ হল না দেখচি । —কত লোক ? —প্রায় পয়ত্রিশজন ডাক্তারবাবু। —গরুর গাড়ী ? —দু’খানা । —মেয়ে রোগী ? —সাত জন । —খাতা নিয়ে এসো, তাড়াতাড়ি করো— রামলাল ঘোষ হেসে বললে—বাৰু, তা হবে না। দুটো অপারেশনের রোগী । অপ্রসন্ন মুখে বললাম—কি অপারেশন ? কি হয়েছে ? —একজনের ফোঁড়া, একজনের হুইটলো । —দুর ওসব আবার অপারেশন ? নরুন দিয়ে চেরা–তুমি আমায় ভয় ধরিয়ে দিয়েছিলে। ডাক দাও সব জলদি জলদি—মেঘ আবার জমে আসছে। একটু চা খাওয়াবে ? —আঞ্জে হ্যা, বড় স্টোভটা তো জালতেই হবে, জল গরমের জন্যে। আগে চা করে ग्निहें । এই সময় বাজারের বড় ব্যবসাদার জগন্নাথ কুণ্ডু এসে নমস্কার করে বললে—ডাক্তারবাবু, ভাল তো ? —নিশ্চয়ই, নয়তো এই দুৰ্য্যোগে কাজৈ আসি ? —একটা কথা। কিছু চাদ দিতে হবে । সামনের ঝুলনের দিন এখানে ঢপ দেবে। ভাবছি। —তা বেশ । কোথাকার ঢপ ? —এখনো কিছু ঠিক করি নি। কেষ্টনগরের রাধারাণী, রানাঘাটের গোলাপী কিংবা নদে শাস্তিপুরের— —আচ্ছা, আচ্ছা, যা হয় করবেন, আমার যা ক্ষমতা হয় দেবো নিশ্চয়ই। এখন কাজের ভিড়ের সময় বসে বসে বাজে গল্প করবার অবসর নেই আমার। জগন্নাথ কুণ্ডু যাবার সময় বলে গেল-ওদিকে গিয়ে একবার কাজকৰ্ম্ম দেখবেন টেকবেন, আপনার দাড়িয়ে হুকুম দিলে আমরা কত উৎসাহ পাই। অপারেশন করে নৌকোতে ওঠবার যোগাড় করছি, এমন সময় এক নূতন রোগী এল। তার কোমরে বেদনা, আরও সব কি কি উপসর্গ। মুখ থি'চিয়ে বলি—ঙ্গাজ আর হবে না, भकल्ले चांtण जांनन्छ कि श्ब्र ? , -