পাতা:বিভূতি রচনাবলী (তৃতীয় খণ্ড).djvu/১৭৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Տգծ বিভূতি-রচনাবলী শরৎ বললে, ন’টার মধ্যে যদি না ফিরে আস, তবে আমি কি রকম রাগ করি দেখো এখন আজ-রাজলক্ষী এখন রইল, তুমি এলে তবে যাবে রাজলক্ষী হাসিমুখে বললে, বেশ ভালই তো জ্যাঠামশাই, যা আপনি-আমি তুতক্ষণ দিদির কাছে থাকি । আসবেন তো শীগগিরই—? কেদার আর দ্বিরুন্ডি না করে বেরিয়ে গেলেন। শরৎ ঠক বুঝতে পারে নি, কৃষ্ণযাত্রার দলে বেহালা বাজাতে তিনি যাচ্ছিলেন না । কেদারের বাড়িটার ধারে ধীরে অনেক দীর পয্যন্ত ভাঙা ও পরোনো বাড়ি, সবগুলো ভাঙা নয়, তবে পরিত্যক্ত এবং সাপখোপের বাস হয়ে আছে বত্তমানে । চার-পাঁচ রশি কি তা ছাড়িয়েও একটা পরোনো আমলের উচু সদর দেউড়ির ভগ্নাবশেষ আজও বৰ্ত্তমান । এটা পার হয়ে দ,ধারে সেকালের আমলের নীচু লম্বা কুঠুরির সারি, কোন কালে এর নাম ছিল কাছারিবাড়ি, এখনও সেই নান চলে আসছে । এর অন্ধেকখানি এখন মাটির ভেতর বসে গিয়েছে, দেওয়াল সেকালে হয়তো চুণকাম করা ছিল, এখন শেওলা ছাতা ধরে সবুজ রং দাঁড়িয়েছে। কোনও এ টি ঘরেও ছাদ নেই—মেজেতে বনজঙ্গল, শাল কাঠের বড় বড় কড়ি আর ভাঙা ইটের স্তপের ওপর বড় গাছ—এমন কি দেউড়ির ঠিক পাশেই এক কাছারিবাড়ির BB BBBBBB Bm BB BBBB BmBBSBB BBB BBBBBB BBB BBB BB BBB না, বেশিও হতে পারে । কাছারিবাড়ি পার হয়ে আর একটা দেউড়ি-এর নাম নহলৎখানা—বত্তমানে--কিছুই অবশিষ্ট নেই—দুটি মাত্র উচু থাম ও তাদের মাথায় একটা ফাটা খিলান ছাড়া । থামের একপাশে এক সারি সিড়ি খানিকটা ভেঙে পড়ে গিয়েছে—বিচুটি গাছের জঙ্গলে থাম আর সিড়ির ধাপগুলো ঢেকে রেখেছে । হঠাৎ কোন নবাগত লোক এসব জায়গায় সন্ধ্যার পর এলে তার দস্তুরমত ভর হওয়ার কথা, কিন্ত কেদার নিবলকার ভাবে এসব পার হয়ে গিয়ে বড় একটা থালের মধে। নামলেন । gB BgS ggB BBB gg ggST0SSBSS TB BBgS BBB BB BBB BS মাত্র, পশ্চিণ কোণের এক জায়গায়—সদর দেউড়ি থেকে প্রায় এক মাইল দক্ষিণ পশ্চিমে— এই খালের খানিকটায় জল আছে—কচুরি পানায় ভত্তি । BBBSBBBBSB BBS BB BB BBBS BBB BB BBBBB BB BBBB BBmm BBBBB BBBS BBB BBBBBS BBBB BB BBBB BBB BB BBB BB BS BB বেত বন, বন্যশকরের ভয়ে সে দিকে বড় কেউ একটা যায় না। গড়ের এই দিকটায় বিস্তর বড় বড় ছাতিম গাছ-মানষের হাতে পোতা গাছ নয়, বন্য বক্ষের বীজের বিস্তারে উৎপন্ন । R যেখানে এখনও একটু জল আছে, সেখানকার উচু পাড়ে বসে দেখলে এই অংশের দৃশ্য মনে কেমন এক ধরনের ভয়-মিশ্রিত সৌন্দস্যের সন্টি করে । কেদার অবিশ্যি এসবের দিকে নজর না দিয়েই খালের নাবাল জমি পেরিয়ে ওধারে গিয়ে উঠলেন এবং আরও খানিকটা হেটে ছিবাস মদির দোকানে উপস্হিত হলেন । ছিবাস মদির চালাঘরে ঝাঁপ পড়ে গিয়েছে, কারণ এমন গাঁয়ে এই রাতে খরিদার কেউ আসবে না—কিন্ত ঘরের ভেতরে চার-পাঁচ জন লোক বসে। ছিবাস বললে, আসন বাবাঠাকুর, আপনার জন্য সব বসে—বলি, বলে গেলেন আসচেনতা দেরি হচ্চে কেন— আসনে বসন— এখানে এখন গান-বাজনা হবে—শরৎসান্দরী ঠিকই আন্দাজ করেছিল, তবে বারুইপাড়ার কৃষ্ণযাত্রার দলে নয়, এই যা তফাৎ। সবাই সরে বসে কেদারকে বসবার জায়গা করে দিলে ।