পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১২৯

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত } eశ్రీ পর্দা বেচিত্রা অনেকদিন পর সে ভাত রাধিবার ব্যবস্থা করিল। ছাতু খাইরা খাইয়া অরুচি ধরিয়া গিয়াছে, বাজার হইতে এক পয়সার কলমী শাকও কিনিয়া আনিল। মনে পড়িল—সে কলমী শাক ভাজা থাইতে ভালবাসিত বলিয়া ছেলেবেলায় দিদি যখন-তখন গড়ের পুকুর হইতে কত কলমী তুলিয়া আনিত । দিন সাতেক পর্দা-বেচা পয়সার চলিল মন্দ নয়, তারপরই যেকে সে-ই। আর পর্দা নাই, কিছুই নাই, একেবারে কানাকড়িটা হাতে নাই। কলেজ যাইতে হইল না-থাইয়া। বৈকালে কলেজ হইতে বাহির হইরা লড়াই মাথ৷ ঘুরিতে লাগিল, আর সেই মাথা ঝিম্ ঝিম্ করা, পা নড়িতে না চাওয়া। মুশকিল এই যে, ক্লাসে মিথ্যা গর্ব ও বাহাদুরির ফলে সকলেই জানে,সে অবস্থাপন্ন ঘরের ছেলে, কাহারও কাছে বলিবার মুখও তো নাই। দু’একজন যাহারা জানে—যেমন জানকী—তাহীদের নিজেদের অবস্থাও তথৈবচ। সারাদিন না খাইয়া সন্ধ্যার সময় বাসায় আসিয়াই শুইয়া পড়িল। রাত আটটার পরে আর না থাকিতে পারিয়া তেওয়ারী-বধূকে গিয়া জিজ্ঞাসা করিল—ছোলা কি অড়হরের ডাল আছে, বহু ? আজ আর ক্ষিদে নেই তেমন, রণধবো না আর, ভিজিয়ে খেতাম । সকালে উঠিয়াই প্রথমে তাহার মনে আসিল যে, আজ সে একেবারে কপর্দকশূন্ত। আজও কালকার মত না থাইরা কলেজে যাইতে হইবে। কতদিন এভাবে চালাইবে সে ? না খাইরা থাকার কষ্ট ভয়ানক—কাল লজিকের ঘণ্টার শেষে সেটা সে ভাল করিয়া বুঝিয়াছিল— বিকালের দিকে ক্ষুধাটা পড়িয়া যাওয়াতে তত কষ্ট বোঝা যায় নাই—কিন্তু সেই বেলা দুটোর সময়টা -পেটে ঠিক যেন বোলতার বাক হুল ফুটাইতেছে—বার দুই জল খাইবার ঘরে গিয়া গ্লাস-কতক জল খাইয়া কাল যন্ত্রণাটা অনেকখানি নিবারণ হইয়াছিল। আজ আবার সেই কষ্ট সম্মুখে ! হাতমুখ ধুইয়া বাহির হইয়া বেলা দশটা পর্যন্ত সে আবার নানা গ্যাস-পোস্টের বিজ্ঞাপন দেখিয়া বেড়াইল, তাহার পর বাসায় না ফিরিয়া সোজা কলেজে গেল। অষ্ট কেহ কিছু লক্ষ্য না করিলেও অনিল দু'তিনবার জিজ্ঞাসা করিল—আপনার কোনও অমুখ-বিমুখ হয়েছে ? মুখ শুকনো কেন ? অপু অন্ত কথা পাড়িয়া প্রশ্নটা এড়াইয়া গেল। বই লইয়া আজ সে কলেজে আসে নাই, খালি হাতে কলেজ হইতে বাহির হইয়া রাস্তায় রাস্তার খানিকটা ঘূরিল। হঠাৎ তাহার মনে হইল, ম আজ দিন-বারে আগে টাকা চাহিয়া পত্র পাঠাইয়াছিল—টাকাও দেওয়া হয় নাই, পত্রের জবাবও না। কথাটা ভাবিতেই সে অত্যন্ত ব্যাকুল হইয়া পড়িল—ন-খাওয়ার কষ্ট সে ভাল বুঝিয়াছে— মায়েরও হয়ত বা এতদিন না খাওয়া শুরু হইয়াছে, কে জানে ? তাহ ছাড়া মায়ের স্বভাবও লে ভাল বোঝে, নিজের কষ্টের বেলা মা কাহাকেও বলিবে না বা জানাইবে না, মুখ বুজিয়া সমুদ্র গিলিবে। चभू अहिब्र हऐबा भफिण। ५षन क् िकरब cन! जाॉ%ाहेबांटमब दांज़ि त्रिबा गय भूणिब्रा বলিৰে –গোটাকতক টাকা দি এখন ধার পাওয়া.বার সেখানে, মাকে তে আপাততঃ