পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Ve बा8ननौ-अंशांन मङ्ग -‘हर्नांडूब-भद्र फेरकश्च ब्रगशडे नग्न, शांनन-डेन्वांफ्रेन ; ७वर cन फेरकछ সফল হয়েছে । মোটামুটি ভাবে বলা চলে বিভূতিভূষণের অনুভূতিক্ষেত্র দুই ভাগে বিভক্ত—এক ভাগ প্রকৃতি-কেন্ত্রিক, অপরটি মানব-কেন্দ্রিক। তার এই প্রকৃডিগ্ৰীতি ও মানবপ্রডি অহঙ্কৃতি হিলাবে স্বভয় হলেও এর কোনটিই স্বয়ংসম্পূর্ণ নয় ; একটা অমোঘ প্রয়োজনের বন্ধনে এরা পরস্পরের সঙ্গে আবদ্ধ, ঘনিষ্ঠ ভাবে সম্পৃক্ত। মানব-বিমুখী প্রকৃতিপ্রতি এবং প্রকৃতি-বিমুখী মানবপ্রতি দুইই বিভূতিভূষণের কাছে সম পরিমাণে অবাস্তব ও অবাঞ্ছিত –এর কারণ বুঝতে হলে আমাদের অনুভূতিক্ষেত্র থেকে আরও উর্ধ্বে উঠতে হবে। সেখানে আছে একটা স্বধৃঢ় প্রত্যয়ক্ষেত্র, এবং এই ক্ষেত্রটি সম্পূর্ণরূপে তার অধ্যাত্মবোধের দ্বারা সমাচ্ছন্ন। বিভূতিভূষণের আস্তিক্যবুদ্ধি স্বতঃস্ফূর্ত ও নিঃসংশয়—যুক্তিতর্কের অবকাশ সেখানে আদৌ নেই। ঈশ্বর আছেন, এবং সমগ্র গ্রহজগৎ যেমনভাবে স্বর্ষের কাছ থেকে তাদের আলোক ও উত্তাপ সংগ্রহ করে, ঠিক তেমনিভাবে মানবজগৎ ও প্রকৃতিজগৎ জুইই তাদের অস্তিত্বের উদ্বেগু ও অন্তর্নিহিত রস সংগ্রহ করে ঐশ্বরিক প্রেরণার উৎস থেকে। তাই এই দুই জগৎকে পরম্পর থেকে সম্পূর্ণ বিচ্ছিন্নরূপে অনুভব করা অসম্ভব N ঈশ্বর, মানুষ ও প্রকৃতি এই ত্রিতত্ত্বসমন্বিত চেতনাকেই বিভূতিভূষণ সত্যকার জীবন-চেতন বলে মনে করতেন। সমগ্র জীবনধারার মধ্যে তিনি একটা সুষম সঙ্গতি ও ছন্দ উপলব্ধি করতে পেরেছিলেন। তাই মুত্তিকাচারী ক্ষুদ্র কীটপতঙ্গ থেকে মহাব্যোমের নক্ষত্র-নীহারিকা পর্যন্ত, পল্পীজীবনের তুচ্ছ হাসিকান্নার কাহিনী থেকে বিশ্বেতিহাসের বিরাট পতন-অত্যুদরের কাহিনী পর্যস্ত, হাস্যকর গ্রাম্য কুসংস্কার থেকে ব্রহ্মোপলব্ধির তুরীয় অস্থতৃতি পর্যন্ত সব কিছুকেই অতি সহজে এই জীবনবৃত্তের অন্তভুক্ত করে নিতে পেরেছিলেন। বিভূতিভূষণের জীবনদৃষ্টি দার্শনিক দৃষ্টি নয়, কবিবৃষ্টি-শিল্পদুষ্ট। তৃণাঞ্জুর-এর একাধিক স্থানে তিনি ঈশ্বরকেও সুমহান শিল্পী বলে অতিহিত করেছেন। ঈশ্বর জীবনশিল্পী—বিশ্ব-ব্রহ্মাণ্ডের লক্ষকোটি ক্ষুদ্র-বৃহৎ তুচ্ছ-মহৎ বিরোধী-মবিরোধী উপাদানের বিচিত্র সমন্বয় সাধন করে তিনি গড়ে তুলেছেন এই বিরাট জীবনকে। এর সামান্ততম উপাদানটিরও যদি অণুমাত্র স্থানচুক্তি ঘটে তাহলেই শিল্পশ্বষ্টির ছন্দ-ভঙ্গ হবে। কাজেই জীবন-সাধককে জীবনান্ত্রবর্তী ছত্তে হবে, সব কিছুকেই সমান প্রসন্নতার সঙ্গে গ্রহণ করতে শিখতে হবে—হাসির সঙ্গে আশ্রকে, আলোর সঙ্গে অন্ধকারকে, পুণ্যের সঙ্গে পাপকে অবিচল চিত্তে স্বীকার করে নিতে হবে। জীবন সাধনার ফলশ্রুতি আনন্দ। এই আনন্দের সাময়িক অনুভূতি বিভূতিভূষণের জীবনে বহুবার এসেছে—'তৃণাঞ্জুর'-এর একাধিক ৰানে এই অপার্থিব আনন্ম-মুহূর্তের বর্ণনা আছে। কোথাও কোথাও তিনি চেষ্টা করেছেন এই আনন্দের স্বরূপটি বোঝবার বা বোঝাবার, কিন্তু পারেন নি। কারও পক্ষেই তা সম্ভব নয়। Becoming বর্ণনা করা চলে, কিন্তু Being ७षन७ छांशांइ चउँौउ बच । *.