পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/১৫৩

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


অপরাজিত ১২৭ गर्दछब्रांबूं ७द्रक५ ८कांन७ निन झछ नाहे । स्रशू फणिब्र शांeब्रांद्र निम्ने श्रउ 8रुरुरण তাহার এত মন হু হু করিতে লাগিল, যেন কেহ কোথাও নাই, একটা অসহায় ভাব, মনের উদাস অবস্থা। কত কথা, সারা জীবনের কত ঘটনা, কত আনন্দ ও অশ্রজলের ইতিহাস একে একে মনে আসিয়া উদয় হয়। গত একমাস ধরিয়া এসব কথা মনে হইতেছে। নির্জনে বসিলেই বিশেষ করিয়া...। ছেলেবেলায় বুধী বলিয়া গাই ছিল বাড়িতে.. বাল্যসঙ্গিনী হিমিদি...দুজনে একসঙ্গে দো-পেটে গাদাগাছ পুতিয়া জল দিত। একদিন হিমিদি ও সে বস্তার জলে মাঠে ঘড়ী-বুকে সাতার কাটিতে গিয় ডুবিয়াগিয়াছিল আর একটু হলেই সেদিন... বিবাহু...মনে আছে সেদিন দুপুরে খুব বৃষ্টি হইয়াছিল...তাহার ছোট ভাই তখন বাচিয়া, লুকাইরা তাহাকে নাড় দিয়া গিয়াছিল হাতের মুঠায়। ছোট ছেলেবেলার অপু-কাচের পুতুলের মত রূপ..প্রথম স্পষ্ট কথা শিথিল, কি জানি কি করিয়া শিথিল ভিজে। একদিন অপুকে কদমা হাতে বসাইরা রাখিয়াছিল –কেমন খেলি ও থোক ? অপু দন্তহীন মুখে কদমা চিবাইতে চিবাইতে ফুলের মত মুখটি তুলিয়া মায়ের দিকে চাহিয়া বলিল—‘ভিজে । হি-হি–ভাবিলে এখনও সর্বজয়ার হাসি পায় । সেদিন দুপুর হইতেই বুকে মাঝে মাঝে ফিক্‌-ধরা বেদন হইতে লাগিল। তেলি-বে। আসিয়া তেল গরম করিয়া দিয়া গেল। দু-তিনবার দেখিয়াও গেল। সন্ধ্যার পর কেহ কোথাও নাই। এক নির্জন বাড়ি । জরও আসিল । রাত্রে খুব পরিষ্কার আকাশে ত্রয়োদশীর প্রকাণ্ড বড় চাদ উঠিয়াছে। জীবনে এই প্রথম সর্বজয়ার একা থাকিতে ভর ভয় করিতে লাগিল। খানিক রাত্রে একবার যেন মনে হইল, সে জলের তলায় পড়িয়া আছে,নাকে মুখে জল ঢুকিয়া নিঃশ্বাস একেবারে বন্ধ হইয়া আলিতেছে... একেবারে বন্ধ । সে ভয়ে এক-গা ঘামিয়া ধড়মড় করিয়া বিছানার উপর উঠিয়া বসিল । সে কি মরিয়া যাইতেছে ? এই কি মৃত্যু —সে এখন কাহাকে ডাকে ? জীবনে সর্বপ্রথম এই তাহার জীবনের ভয় হইল—ইহার আগে কখনও তো এমন হয় নাই! পরে নিজের ভয় দেখিয়া তাহার আর একদফা ভয় হইল। ভয় কিসের । না—ন—মৃত্যু, সে ७ङ्गका नम्न । ७ किछु म । কত চুরি, কত পাপ-“চুরিই যে কত করিয়াছে তাহার কি ঠিক আছে ? ছেলেমেয়েকে খাওয়াইতে অমুকের গাছের কলার কাদিটা, অমুকের গাছের শসাটা লুকাইয়া রাখিত তক্তপোশের তলায়—ভূবন মুখুযোদের বাড়ি হইতে একবার দশ পলা তেল ধার করিয়া আনিয়া ভালমানুষ রাণুর মার কাছে পাচ পলা শোধ দিয়া আসিয়াছিল, মিথ্যা করিয়া বলিয়াছিল— পাচ পলাই তো নিয়ে গিছলাম নদি—বোলে৷ সেজ ঠাকুরবিকে। সারাজীবন ধরিয়া শুধু দুঃখ ও অপমান। কেন আজ এসব কথা মনে উঠিতেছে ? ঘর অন্ধক। ...খাটের তলায় নেংটি ইছর খুটু খুট, করিতেছে। সর্বজয়া ভাবিল, ওদের বাড়ির কলটা না আনলে আর চলে না—নতুন মুগগুলো সব খেয়ে ফেললে। কিন্তু নেংটি ইছরের শব্দ তো –সর্বজয়ার আবার সেই ভয়টা আসিল দুর্নমনীয় ভয়.সারা শরীর বেন