পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/২৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


He ७द्र8कब्रि९ दिङ्कडिङ्ष१ निरखरै रिश्रश्न । ६रम्न-cक्ण गोश्व उिनि अझन कब्राउन मा। "মাহুষের মনকে বর্তমান সভ্যতা ও শিক্ষা একটি কলের ছাচে গড়েচে। সব এক ছাচ, রামও বা ভাবে, গমও তাই ভাবে, যদু মধুও তাই ভাবে। যে আর একজনের মত না ভাবে— তাকে লোকে মূর্খ বলে, অশিক্ষিতও বলে.অনেক খুঁজেও খাটি ওরিজিঙ্গল টাইপ বার করা যায় না। —এই ওরিজিন্তাল টাইপের সন্ধানই ভ্ৰাম্যমাণ বিভূতিভূষণের একমাত্র সন্ধান —এবং এইজন্যই তিনি সভ্য, শিক্ষিত, বিদগ্ধ মাছুষের প্রতি এত উদাসীন। মনের মত মাছুষের যখন তিনি দেখা পান তখন তার মন অনুভূতির গভীরতার ও অন্তরঙ্গতার রসার্জ হয়ে ওঠে। তাই এদের প্রতিটি চরিত্র তার তুলির টানে এমন জীবনরসে ভরপুর হয়ে ফুটে ওঠে; তাই ‘অভিযাত্রিক-পাঠকের পক্ষে এদের কাউকে ভোলা অসম্ভব। গ্রন্থের একমাত্র অপ্রতিকর চরিত্র নরসিংদি স্কুলের সেই হেডমাস্টার মশাই—ইনি এম্-এ পাশ এবং কলকাতার ছেলে। এই ছাঁচে-ঢালা, স্টাইলবাজ, বিতর্কবাগীশ, প্রকৃতি ও মানুষ সম্বন্ধে সমান উদাসীন চরিত্রটির তুলনায় আঠারো টাকা বেতনের দরিদ্র ড্রইং মাস্টার বিভূতিভূষণের কাছে মানুষ হিসাবে অনেক বেশি মূল্যৱান। এই জাতীয় মানুষের নিরীহ সরলতা তাকে মুগ্ধ করে, এদের সাহচর্য তাকে আনন্দ দান করে। এদের কাহিনীই ‘অভিযাত্রিক'-এর মুখ্য কাহিনী। প্রকৃতি পটভূমিকা মাত্র। জিতেন্দ্রনাথ চক্রবর্তী