পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৪১৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


Bode বিভূতি-রচনাবলী বাট বলে মনে হয় তার বয়স। সে আগে সমূদ্রগামী বড় বড় জাহাজে মাল্লার কাজ করেচে এখন তার নাতি সমুদ্রে বার হয়, সে বাড়ি বলে চাষবাস দেখে। আমি তাকে বললুম-আবদুল, তুমি বিলেত গিয়েচ ? —ও ! বিলেতে তো ঘরবাড়িছিল। —কোথায় থাকতে ? —সেলরস হোম আছে আমাদের জন্ত। সেখানেই থাকতুম। —কেমন জায়গা ? —উ, পরীর দেশ বাবু, মেয়েমানুষ তো নয়, যেন সব পরী। —মিশতে ওদের সঙ্গে ? —বাবু ওসব দেশের তারা আপনি গায়ে এসে পড়ে। তাদের এড়িয়ে আসা যায় না। তারপর সে তার ডজনখানেক প্রণয়কাহিনী আমার কাছে বলে যেতে লাগলো। লোকটির অভিজ্ঞতা সত্যিই অদ্ভুত, তার সঙ্গে একটি মেমের নাকি বিয়ে হয়। দু বছর তাকে নিয়ে ও ইংলণ্ডের কোনো একটা গ্রামে ছিল, গ্রামের নাম উইটেনহাম। নামটা আবদুল বেশ স্পষ্ট উচ্চারণ করেছিল, যদিও ইংরিজি কিছুই জানে না সে। আমি বললুম, তুমি তোমার স্ত্রীর সঙ্গে কি-ভাষায় কথা বলতে ? - —ভাঙা ভাঙা ইংরেজিতে বলতুম, আর হাত নেড়ে পা নেড়ে তাকে বুরি দিতুম। —কি করে চালাতে সে গায়ে ? চাকরি করতে ? —না বাৰু, জিনিসপত্র ফিরি করে বেড়াতুম, মাঝে মাঝে আপেল বাগানে চাকরিও করেচি। উইটেনহামে অনেক আপেল বাগান ছিল। বেশ জায়গা বাবু —তোমার স্ত্রী বেশ ভালো ছিলেন নিশ্চয়ই— —ভালো মানুষ ছিল আর খুব ছেলেপুলে ভালোবাসতো। আমার যত্ন করতে খুবই। আমায় বলতো, ডোমার দেশে আমায় নিয়ে যাও, কি রকম দেশ দেখবো— —এনেছিলে নাকি ? —আনঙাম হয়তে, কিন্তু বাবু সে দু-বছর পরে মরে গেল। আমার কিছু ভালো লাগলো না, সেখানে থেকে বেরিয়ে একেবারে সোজা দেশে চলে এলুম। সে বচলে উইটেনহামেই বরাবর থাকতুম হয়তো। আপেলের বাগান করবার বড় শখ ছিল— —আচ্ছ এসব কতদিন আগের কথা হবে ? - —পঞ্চাশ পঞ্চান্ন বছর আগেকার কথা বাবু,কি তারও আগের কথা। উইটেনষ্কামে একবার ধুমধাম হল, গির্জার গান বাজন হল, শুনলাম নাকি মহারানীর কত বছর বয়স হল, সেই জন্তে ওরকম হচ্চে। মহারানী তখন বেঁচে—কি ধুমধাম হল পাড়াগারে! আবদুল লোকটা ভিকটোরিয়ান যুগের লোক, মহারানীর ডায়মণ্ড জুবিলী দেখে এসেচে विरण८७ वप्न । क्रुि ७८क cनt५ cक उांबद्दद ¢न क्षी ! चांबछ्ण ५धन शांशंश्छद्र पांदहङ्ग