পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৮২

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


むや বিভূতি-রচনাবলী বুঝিতে পারেন না। এত আগ্রহ করিয়া শুনিবার মত জিনিস সেখানে কি আর আছে! একঘেয়ে—ধোঁয়া-বৃষ্টি—শীত। তিনি পয়সা খরচ করিয়া সেখানে গিয়াছিলেন সাবানপ্রস্তুত প্রণালী শিখিবার জন্ত, পথের ধারের গাছপালা দেখিতে যান নাই বা ইতালির আকাশের রং লক্ষ্য করিয়া দেখিবার উপযুক্ত সময়ের প্রাচুর্যও তার ছিল না। নির্মলাকে অপুর ভাল লাগে, কিন্তু সে তাহ দেখাইতে জানে না। পরের বাড়ি বলিয়াই হউক, বা একটু লাজুক প্রকৃতির বলিয়াই হউক, সে বাহিরের ঘরে শান্তভাবে বাস করে—কি তাহার অভাব, কোনটা তাহার দরকার, সে কথা কাহাকেও জানায় না। অপুর এই উদাসীনতা নির্মলার বড় বাজে, তবুও সে না চাহিতেই নির্মলা তাহার ময়লা বালিশের ওয়াড় সাবান দিয়া নিজে কাচিয়া দিয়া যায়, গামছা পরিষ্কার করিয়া দেয়, ছেড়া কাপড় বাড়ির মধ্যে লইয়া গিয়া মাকে দিয়া সেলাইয়ের কলে সেলাই করিয়া আনিয়া দেয়। নির্মলা চায় অপূর্ব-দাদা তাহাকে ফাই ফরমাশ করে, তাহার প্রতি হুকুমজারি করে ; কিন্তু অপু কাহারও উপর কোনো হুকুম কোনোদিন করিতে জানে না—এক মা ছাড়া । দিদি ও মায়ের সেবার সে অভ্যস্ত বটে, তাও সে-সেবা অযাচিতভাবে পাওয়া যাইত তাই। নইলে অপু কখনও হুকুম করিয়া সেবা আদায় করিতে শিখে নাই। তা ছাড়া সে সমাজের যে স্তরের মধ্যে মানুষ, ডেপুটিবাবুরা সেখানকার চোখে ব্ৰহ্মলোকবাসী দেবতার সমকক্ষ জীব। নির্মলা ডেপুটিবাবুর বড় মেয়ে—ক্সপে, বেশভূষায়, পড়াশুনার, কথাবার্তায় একমাত্র লীলা ছাড়া সে এ পর্যন্ত যত মেয়ের সংস্পর্শে আসিয়াছে—সকলের অপেক্ষ শ্রেষ্ঠ। সে কি করিয়া নির্মলার উপর হুকুমজারি করিবে ? নির্মলা তাহা বোঝে নী—সে দাদা বলিয়া ডাকে, অপুর প্রতি একটা আন্তরিক টানের পরিচয় তাহার প্রতি কাজে—কেন অপূর্ব-দাদা তাহাকে প্রাণপণে খাটাইয়া লয় না, নিষ্ঠুরভাবে অযথা ফাই-ফরমাস করে না ? তাহা হইলে সে খুশী হইত। চৈত্র মাসের শেষে একদিন ফুটবল খেলিতে খেলিতে অপুর হাটুটা কি ভাবে মচ কাইয়। গিয়া সে মাঠে পড়িয়া গেল। সঙ্গীরা তাহাকে ধরাধরি করিয়া আনিয়া ডেপুটীবাবুর বাসায় দিয়া গেল। নির্মলার মা ব্যস্ত হইয়া বাহিরের ঘরে আসিলেন, কাছে গিয়া বলিলেন-দেখি দেখি, কি হয়েছে ? অপুর উজ্জল গৌরবর্ণ মুন্ধর মুখ ঘামে ও যন্ত্রণায় রাঙা হইয়া গিয়াছে, ডান পা-খান সোজা করিতে পারিতেছে না। মনিয়া চাকর নির্মলার মা’র স্লিপ লইয়া ডাক্তারখানায় ছুটিল। নির্মলা বাড়ি ছিল না, ভাইবোনদের লইয়া গাড়ি করিয়া মুন্সেক্ষবাবুর বাসায় বেড়াইতে গিয়াছিল। একটু পরে সরকারী ডাক্তার আসিয়া দেখিয়া শুনিয়া ঔষধের ব্যবস্থা করিয়া গেলেন। সন্ধ্যার আগে নির্মলা আসিল। সব শুনিয়া বাহিরের ঘরে আসিয়া বলিল—কই দেখি, বেশ হয়েছে—স্ট্রিবৃত্তি করার ফল হবে না ? ভারী খুনী इ८ब्रईि भांभि নির্মলা কিছু না বলিয়া চলিয়া গেল। অপু মনে মনে ক্ষু হইয়া ভাবিল-বাক না, জার कथनe शनि कथों कदे আখ ঘণ্টা পরেই নির্মল জালিয়া হুজির। কৌতুকের স্বরে বলিঙ্গ—পায়ের ব্যান্টাখা