পাতা:বিভূতি রচনাবলী (দ্বিতীয় খণ্ড).djvu/৯০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


W8 दिइङि-बानांवलौ बज्र बांखांब अक्षांब चांगिबा नैiफ़ाहेरउहे cन जबांकू हरेब cश्रण। ७बकश क७ cग cकांथांब দেখিয়াছে ? ট্রামগাড়ি ইহার নাম ? অার এক রকমের গাড়ি নিঃশৰে দৌড়াইয়া চলিয়াছে, অপু কখনও না দেখিলেও মনে মনে আন্ধাৰ কলি, ইহাই নাম মোটরগাড়ি। সে বিশ্বরে সহিত দু-একখানার দিকে চাহিয়া চাহিয়া দেখিতে লাগিল ; স্টেশনের অফিস ঘরে সে মাথার উপর একটা কি চাকার মত জিনিস বনু বন বেগে ঘুরিতে দেখিয়াছে, সে আন্দাজ করিল উহাই ইলেকট্রিক পাখা। যে ঠিকানা বন্ধু দিয়াছিল, তাহা খুজিয়া বাহির করা তাহার পক্ষে এক মহা মুশকিলের ব্যাপার, পকেটে রেলের টাইমটেবলের মোড়ক হইতে সংগ্রহ করা কলিকাতার যে নক্স ছিল তাহা মিলাইয়া হারিসন রোড খুজির বাহির করিল। জিনিসপত্র তাহার এমন বেশী কিছু নহে, বগলে ছোট বিছানাট ও ডান হাতে ভারী পুটুলিটা ঝুলাই পথ চলিতে চলিতে সামনে পাওয়া গেল আমহাস্টস্ট্রীট। তাহার পর আরও খানিক ঘুরিয়া সে পঞ্চানন দাসের গলি বাহির করিল। অখিলবাবু সন্ধ্যার আগে আসিলেন, কালো নাছস মুদুল চেহারা, অপুর পরিচয় ও উদেণ্ড শুনিয়া খুনী হইলেন ও খুব উৎসাহ দিলেন। বিকে ডাকাইয়া তখনই খাবার আনাইয়া অপুকে খাইতে দিলেন, সারাদিন খাওয়া হয় নাই জানিতে পারিয়া তিনি এত্ত ব্যস্ত হইয়া উঠিলেন যে, নিজে সন্ধ্যাহিক করিবার জন্ত আসনখানি মেসের ছাদে পাতিয়াও আহ্নিক করিতে জুলিয়া গেলেন । সন্ধ্যার সময় সে মেসের ছাদে শুইয়া পড়িল। সারাদিন বেড়াইয়া সে বড় ক্লান্ত হইয়া পড়িয়াছে। লে তো কলিকাতায় আলিয়াছে—মিউজিয়াম, গড়ের মাঠ দেখিতে পাইবে তো ?... বায়োস্কোপ দেখিবে. এখানে খুব বড় বায়োস্কোপ আছে সে জানে। তাঁহাদের দেওয়ানপুরের স্কুলে একবার একটা ভ্রমণকারী বারোস্কোপের দল গিয়াছিল, তাহাতেই লে জানে বায়োস্কোপ কি অদ্ভুক্ত দেখিতে। তবে এখানে নাকি বারোস্কোপে গল্পের বই দেখায়। সেখানে তাহ ছিল না-রেলগাড়ি দৌড়াইতেছে, একটা লোক হাত পা নাড়িয়া মুখভঙ্গি করিয়া লোক হাসাইতেছে—এই সব। এখানে বায়োস্কোপে গল্পের বই দেখিতে চায়। অখিলবাবুকে জিজ্ঞাসা করিল, বারোস্কোপ যেখানে হয়, এখান থেকে কত দূর ? অখিলবাবুর মেসে খাইয়া অপু ইহার-উছার পরামর্শমত নানাস্থানে ইটাইটি করিতে লাগিল, কোথাও বা থাকিবার স্বানের জন্ত, কোথাও বা ছেলে পড়াইবার সুবিধার জন্ত, কাহারও কাছে বা কলেজে বিনা বেতনে ভর্তি হইবার যোগাযোগের জন্ত। এদিকে কলেজে ভর্তি হইবার সময়ও চলিয়া ধায়, সঙ্গে যে কয়ট টাকা ছিল তাহ পকেটে লইয়া একদিন লে ভত্তি হইতে বাছির হইল। থ্রেসিডেন্সী কলেজের দিকে সে ইচ্ছা করিয়াই ঘেষিল না, সেখানে সবদিকেই খরচ অত্যন্ত বেশী। মেট্রোপলিটান কলেজ গলির ভিতর, বিশেষতঃ পুরানো ধরণের বলিয়া সেখানেও ভক্তি ইণ্ডে ইচ্ছা হইল না। মিশনারীদের কলেজ হইতে