পাতা:বিভূতি রচনাবলী (সপ্তম খণ্ড).djvu/৩৩৬

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


e११ বিভূতি-রচনাবলী স্থলেখা স্বন্দরী মেয়ে, কলেজের থিয়েটারে গতবার মালিনীর পার্ট নিয়েছিল । স্বত্র চেহাৱার জন্তে জার চমৎকার গানের গলার জন্তে যা মানিয়েছিল ওকে ! গৌরীর মা টিম্ব-শাড়ি পরিয়ে, সোনার গহনা দিয়ে, কপালে অলকাতিলকা একে ওকে নিজের হাতে সাজিয়ে দিলেন—ইংরেজী অধ্যাপিকা তরুণী উষাদি গ্রিন রুমে এসে ওকে কিভাবে অভিনন্দিত করলেন—এসব কথা তো আর বছর রবীন্দ্র-জন্মোৎসবের দিনের ! আজ মনে হচ্ছে কত কাল••• সে-সব দিন শেষ হয়ে গেল । এর চেয়ে তার না-ই বা বিয়ে হোতো ? থাকতো সে উযাদির মত, নলিনীদির মত, মিস সেনের মত, মিস বিধুবালা গাঙ্গুলির মত অবিবাহিত । হাতে ভ্যানিটি-ব্যাগ ঝুলিয়ে, খাটো ছাতা-হাতে ট্রাম ধরতে ছুটতে বেলা সাড়ে দশটায় । যেখানে খুশি তুমি যাও, সিনেমা দ্যাথো, নাচগানের জলসা ছাখে। ফাস্ট ক্লাসে নিউ এম্পায়ারে— कि अछ ! { সকালবেলা। ওর বড়-জা এসে বললে—রাঙা-বোঁ, এক কাজ করতে হবে যে ! স্থলেখা বললে—কি দিদি ! —কলাইয়ের ডাল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে, এগুলো ছাদে নিয়ে গিয়ে রোদে দাও, তারপর বেল পড়লে ঝেড়ে তুলতে হবে। বুঝলে ? --বেশ । —পারবে তো ? —করি নি কখনো, তবে চেষ্টা করি । স্থলেখা ডাল ছাদে দিয়ে এসেছে, তারপর আর ডালের কথা ওর মনে নেই। দুপুরে আহারের পরে একটু শোবামাত্র ওর ঘুম এসেচে। বেলা দুটোর সময় কালো-ভোমরার মত মেঘ করে নেমেচে ঝম্ ঝম্ জল। ও অঘোরে ঘুমুচ্চে তখন । ঘুম যখন ভেঙেচে তখনও সমানে বৃষ্টি হচ্চে । শ্রাবণ মাসের বৃষ্টি খান-ডোবা ভৰ্ত্তি করে ফেলেচে দু ঘন্টার মধ্যে। স্থলেখা উঠে চোখ মুছতে মুছতে জানাল দিয়ে দেখে অবাক হয়ে গেল। বৃষ্টির এমন রূপ সে শহরে দেখে নি কখনো। বকুল গাছের গুড়িটা কালো দেখাচ্ছে বৃষ্টির ধারায়। ছাতারে পাখীগুলো অঘোরে ভিজচে—এ যেন রবীন্দ্রনাথের সেই কবিতাটার কথা মনে এনে দেয়— এদের কোনো ব্যবস্থা নেই। এই সময় খেতে হয় গরম-গরম চা । সে নতুন-বোঁ, চা তৈরি করতে যেতে পারে না। কিন্তু কারো কি সেদিকে দৃষ্টি আছে, না কেউ কিছু বোঝে rও মাগে, ওদের বাড়ীর বুড়িটা কি করে তিজচে এই জলে নারকোলপাত কুডুতে। পাড়াগেয়েদের কাওই আলাদা। এমন সময় ওর জ। ঘরে ঢুকে বললে—রাঙা-বোঁ, ডালগুলো তুলেছিলে ছাদ থেকে ? পৰ্ব্বনাশ ! লেকৰ একদম মনে নেই স্থলেখার। লজ্জায় তার স্বন্দর মুখ লাল হয়ে উঠলে৷ SSBBBB BB BBBBSBD DS BBD DD BB DDSBBB BBB BB BDS