পাতা:বিভূতি রচনাবলী (সপ্তম খণ্ড).djvu/৪৮১

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


cं खङ्गं] कुर्थं ब्७ 罗 έωή মুষলধারে বৃষ্টি। কল্যাণী চমকে উঠেচে ঘুমের ঘোরে। এ খাতায় অনেকদিন পরে আবার বনগ্রাম' কথাটি লিখচি। পাঁচ বৎসর পরে জাৰায় বনগ্রামে বালা করেচি—জাহ্নবীর বাসার কাছেই । আবার পুরোনো দিনের মত সকালে উঠে খয়রামারি বেড়াতে যাই, সেই গাছপালার বাকে বলে দাতন করি । পুরোনো দিনের পুনরাবৃত্তি বড় ভাল লাগে । কোথায় ঘাটশিলার বনমধ্যস্থ হ্রদে সকালে স্বান করতে যাওয়া এই সময়ে, কোথায় নাকটিটাড়ের বন, ১লা বৈশাখ বরকেলা পাহাড়শ্রেণীর সামনে ভবানী লিংয়ের বাড়ীর কম্পাউণ্ডে বলে চা খাওয়া, বোরো নদীতে একসঙ্গে স্নান—হরদয়াল, আমি, ভবানী, স্থবোধ ঘোষ, যোগীন্দ্র সিনহা—আর বছরই তো । সে কি মজা ! চাইবালার সে ঘরঙ্গোর এখনও মনে পড়চে । কোলহান পার্ক, মাঠ পাহাড়ের বাংলো-ইত্যাদি । কোথায় সেই চরাই পাহাড়ের শিখরদেশ । এসব থেকে কোথায় আবার সেই বনগার বাস । ঘড়ি বাজে ঢং দং করে, যতীন দা’র ও মন্মথ দা’র বাসায় আডডা দিচ্চি—ইউনিভার্সিটির খাতা দেখে উঠে ৰাজার করচি, ওপারের হাট থেকে গুড় কিনে আনচি, কয়লার দোকানে কয়লা কিনচি। এ সব জিনিস বহুদিন বনগায়ে করিনি । Q কাল কাপ্তেন চৌধুরীর মোটরে বিকেলে বিশ্বনাথ ও যতীন দা’কে নিয়ে বেনাপোল হরিদাস ঠাকুরের মঠে বেড়াতে গেলুম। আজ পাচ বছর আগে একবার এখানে এলেছিলুম। বুদ্ধদেব বাবুর সঙ্গে । আজ শুক্ল চতুর্দশী, মন্দিরের চাতালে বসে আমরা হরিদাসের কাহিনী পাঠ শুনচি, প্রদীপের আলোয় বিশ্বনাথ পড়চে, ওদিকে চাদ উঠেচে, মন্দিরের চারিপাশে ঘন বনে শাস্ত স্তব্ধতা নেমে এসেচে—বড় ভাল লাগছিল। হীরা নটর মূৰ্ত্তির সামনেও আরতির পঞ্চপ্রদীপ ঘোরানো দেখে আমি বিক্ষিত ও অভিভূত হোলাম। কার রুপার পতিত আজ দেবী হয়েচে ? সেই বিশ্বস্রষ্ট বিশ্বপালক ভগবানের ছাড়া আবার কার কৃপায় ? এক বুড়ী আছে, সে প্রণাম করে বলে—জীবই শিব। এখানে বুড়ী আছে আজ ষোল বছর । ১৩১০ সালে এই মঠ ও মন্দির তৈরি হয় । তোলানাথ গোস্বামী বলে এক সাধক ভক্ত, বাড়ী তার বাড়ী মামুকোটি, স্বপ্নে আদেশ পান এখানে হরিদাসের সাধনকুঞ্জের পুনরুদ্ধারের। এখানে এসে স্থানীয় নায়েব মহাশয়ের সাহায্যে ঘন জঙ্গলের মধ্যে এই তুলসী জঙ্গল ও আটখানা ইট আবিষ্কার করেন। তখন এখানে বাঘের আডড ছিল। বুড়ীটি বড় অদ্ভুত, সে-ই এসব গল্প করলে। বড় ভক্তিমতী আর বড় বিনী—বৈষ্ণৰ ধৰ্ম্ম এদের অস্থিমজ্জায় এবেশ করেচে, তৃণাদপি স্বনীচেন’ এই কথার সত্য ওয়া জীবনে অঁাকড়ে ধরেচে, পালনও করেচে । আজ বিকেলে পাচটার সময় কাপ্তেন চৌধুরীর গাড়ীতে গেলুম বারাকপুর। মিতে, ময়ৰ দ, যতীন দা আমার সঙ্গে। কাপ্তেন চৌধুরী পথের পাঁচালীর দেশ দেখতে চেয়েছিলেন, BBB BBBBBS BBBBBBBS BBBBS BBS BBS DDBBBS DD DDD