নির্ম্মিত। এ সকল স্থান বিলাসী ধনবান্ লোকের উপভোগ করিবার স্থান। শীতকালে এই সকল স্থানে লোকে লোকারণ্য হয়। খরচও অসম্ভব। আমাদের বর্ত্তমান রাজা সপ্তম এডওয়ার্ড এই সকল স্থানে প্রায়ই গিয়া থাকেন। তিনি যে হোটেলে থাকেন, সেটিও দেখিলাম। সমুদ্রের ধারে একটি উঁচু পাহাড়ের উপর অবস্থিত। ফরাসী জাতীয় লোকেরা তাঁহাকে যারপরনাই ভালবাসে ও শ্রদ্ধা-ভক্তি করে। ইংলণ্ডের সহিত ফরাসী দেশের যে চির-বিবাদ ছিল, তাহা ইঁহার রাজত্ব আরম্ভ হইবার পর হইতে মিটিয়া গিয়াছে। শুধু ফরাসী দেশের সঙ্গে কেন, এখন ইউরোপের সকল দেশের সহিতই ইংলণ্ডের সদ্ভাব। সুস্থ ও সবল দেহ মন লইয়া ইনি বেড়াইতে ভালবাসেন। রাজ্যে রাজ্যে বেড়াইয়া এইরূপ সদ্ভাব আনিয়াছেন। তাঁর দেশের ও অন্য সব দেশের লোকেরাও তাঁহাকে বড়ই ভালবাসে বলিয়া তিনি সর্ব্বজনপ্রিয় রাজা। তাই তাঁর অন্যতম নাম হইয়াছে—
“Edward the peace-maker”
অর্থাৎ—“সর্ব্বত্রে শান্তিস্থাপক রাজা এডওয়ার্ড”।
প্রজার স্বেচ্ছাপ্রদত্ত এ উপাধি বড় সোজা উপাধি নয়। “Edward the Confessor” or “Richard Cour de Lion” অর্থাৎ ধার্ম্মিক এডওয়ার্ড বা সিংহের মত সাহসিক রিচার্ড, এ “শান্তিস্থাপক” পদবী হইতে বড় নয়। কেন না রাজ্য শাসনে শান্তির বাড়া জিনিষ নাই।
সুয়েজ বন্দরের মত এ স্থানটিও একটি মহাপাপের স্থান। সকল বন্দরেই অল্প বিস্তর এইরূপ হইয়া থাকে। যেখানেই ধনবান্ বিলাসী মানুষ অনেক ধন লইয়া অস্থায়ীভাবে থাকে, সেইখানেই এইরূপ প্রবৃত্তি জাগে। আসিয়া ও ইউরোপের যত সুন্দরী স্ত্রীলোকেরা অর্থ উপায় করিতে এখানে আসেন। তাঁহাদের নিমিত্ত আলাহিদা বস্তি আছে। সেই স্থানে লাইসেন্স লইয়া থাকিতে হয়। সবাই একত্রে থাকেন। রাজ্যের স্বাস্থ্যরক্ষার