পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/১৭

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


[ ১৫ ] বিশাখপত্তন ঋণগ্রস্ত হইয়া পড়ায় ১৮১৭ খৃঃ অঙ্গে রাজ্যসংক্রাস্ত বিষয়ের ভার গরমেন্ট নিজহস্তে গ্রহণ করেন। পাঁচ বৎসর, পরে সমস্ত দেন পরিশোধ করিয়া গৰমেন্ট পুনরায় রাজাকে রাজাপ্রদান करङ्गन ! हेरज्ञांरखङ्ग श्ररङ,बांछrछांग्न कृख कब्रिब्र ४४२१ धुं: डारक রাজা কাশীবাসী হন। রাজকুমারের নাবালক অবস্থায় এবং তৎপরেও কএক বৎসর ( ১৮৪৮-১৮৫২ খৃষ্টাব্দ ) মিঃ ক্রোজিয়ার কুশলতার সহিত রাজ্যশাসন করেন এবং এই সময়ের মধ্যে ङिनि ब्लांख्रश्द्र अग्निe वांक्लाहेग्न यांन । निरहांगन थांश्तुं হইয়া রাজকুমার অত্যন্ত চতুরতার সহিত রাজ্যশাসন করিতে থাকেন। রাজপ্রতিভার পরিচয় পাইয় গবমেণ্ট তাহাকে “কে, সি, এস, আই” ও মহারাজ উপাধি প্রদান এবং তাহার সম্মানসূচক ১৩টা তোপের বন্দোবস্ত করেন। এই রাজার মৃত্যুর পর ১৮৭৯ খৃঃ অৰো পশুপতি আনন্দ গজপতি রাজসিংহাসন প্রাপ্ত হন। তিনিও অত্যন্ত কুশলতার সহিত রাজদণ্ড চালনা করিতেন। ১৮৮১ খৃঃ অব্দে তিনি পিতৃ-সন্মানের উত্তরাধিকারীস্বরূপ ‘মহারাজা’ উপাধি প্রাপ্ত হয়েন । ১৮৮৪ খৃঃ অন্ধে তিনি মাস্ত্রাজের আইন-সভার সমস্ত নিযুক্ত হন। ১৮৩৭ খৃঃ অব্দে স্থানীয় পাৰ্ব্বত্যপ্রদেশসমূহে যে বিদ্রোহ উপস্থিত হয়, তাহার পরিণামে তত্ৰত্য জমিদারী তালুকগুলির বিচার ও শাসন বিভাগ সম্পূর্ণরূপে কলেক্টর সাহেবের অধীন করা হয় । যে সকল স্থান এই কলেক্টরের শাসন-বহিভূত থাকে, তাহাও চিকাকোলের জজ সাহেবের অধিকারভুক্ত করা হয়। ঐ সকল স্থানের শাসন সংরক্ষণের জন্ত বিশাখপত্তনে একটী কাছারী প্রতিষ্ঠা এবং রায়বরম জেলায় একজন মুন্সেফ, নিযুক্ত করা হয়। ১৮৩৬ খৃষ্টা পৰ্য্যস্ত এই বন্দোবস্ত অনুসারে কাৰ্য চলে। ইহার পরে বিশাখপত্তনে একটা নুতন আদালত স্থাপন করা হয়। বিজয়নগরম ও বৰিলি জমিদারী এবং পালকে{গু জেলা এই আদালতের এলাকাভুক্ত করা হয়। ১৮৬৪ খৃষ্টাব্দের ১লা জানুয়ারী তারিখে কলেক্টরের অধীন ভূভাগের পরিমাণ কিছু খৰ্ব্ব করা হয়। এখন জয়পুর, মাংগল, পাঞ্চিপেস্ত, কুরুপাম, পাৰ্ব্বত্য মেরাঙ্গি জমিদারী এবং পালকেও, গোলকোণ্ড ও কাশীপুরের পাৰ্ব্বত্য জমিদারী কলেক্টরের অধীন হইয়াছে। জেলা আদালতের অধীন ছয়ট মুন্সেফ কাছার আছে। এখানে ফৌজদারী মোকদ্দমার সংখ্যাই অত্যন্তু বেশী। পাৰ্ব্বত্য অসত্যজাতির মধ্যে হত্যাসংক্রাস্ত মোকদমাই সচরাচর ঘটিয়া থাকে । শান্তিরক্ষার সৌকর্য্যার্থে বিশাখপত্তনকে জয়পুর ও বিশাখপত্তন, নামক দুইটা জেলার বিভক্ত করা হইয়াছে। ১৬২৭ জন কনেষ্টবল ৩৩ জন ইনস্পেক্টর ও সৰ্ব্বোপরি ৫ জন ইংরেজ কৰ্ম্ম চারী নিযুক্ত আছে। প্রথমতঃ ১৮৬২ খৃষ্টাৰে জয়পুরে o পুলিসবিভাগ স্থাপন করা হয়। প্রথম প্রথম ইহাতে অধিবাসিগণ কিছু প্রতিবাদ করিতেছিল। কিন্তু সরকারের কৌশলে এ আপত্তি শীঘ্রই মিটিয়া যায়। ১৮৬৪ খৃঃ আন্দের আগষ্ট মাসে ও ১৮৬৫ খৃঃ অব্দের ডিসেম্বরে সৌর প্রদেশে যে সামান্ত বিদ্রোহ উপস্থিত হইয়াছিল, তাহাতে পুলিসের সঙ্গে জনসাধারণের যৎসামান্ত মারামারি হইয়াছিল। বিশাখপত্তন সহরের বাহিরে স্বাস্থ্যকর স্থানবিশেষে জেলখানা স্থাপিত। এই জেলে ১৭২ জন কয়েদীর স্থান হইতে পারে। যাহারা অধিকদিনের জন্ত কারাদও প্রাপ্ত হয়, তাহাদিগকে রাজমহেন্দ্রীতে সদয় জেলখানায় রাখা হয়। পাৰ্ব্বত্যজাতির জঙ্গ পাৰ্ব্বতীপুরে একটা নুতন কারাগার প্রস্তুত হইয়াছে। ইহাতে ১• • জুন কয়েদীর স্থান হইতে পারে। বন্দী অবস্থায় থাকিলে এই জাতির মৃত্যু সংখ্যা অত্যন্ত অধিক হইয় উঠে। কয়েক বৎসর পূৰ্ব্বে বিশাখপত্তনে লেখাপড়ার একরূপ চর্চাই ছিল না । বিজয়নগরম সহরে মহারাজের প্রতিষ্ঠিত একটা প্রথম শ্রেণীর কলেজ আছে। এস্থানে বি-এ পর্য্যস্ত পঠিত হয়। বিশাখপত্তনে একটী আধা-সরকারী দ্বিতীয় শ্রেণীর কলেঞ্জ আছে। এতদ্ব্যতীত এখানে আরও তিনটী উচ্চ ইংরেজী, ১১ট মধ্য ইংরেজী, ও ৮১২ট প্রাথমিক বিদ্যালয় আছে। বিশাখপত্তন, পালকেও ও ইলামঞ্চিলী নামক স্থানত্রয়ে তিনট সমর্পল স্কুল ও স্থাপিত হইয়াছে। অধিকন্তু বিভিন্ন স্থানে নয়ট বালিকা বিদ্যালয় ও বিশাখপত্তনে কয়েকটা যুবককর্তৃক স্থাপিত ও পবিপোষিত কৃষক সন্তানের জন্য একট অবৈতনিক নৈশ বিদ্যালয়ও স্থাপিত হইয়াছে। ক্রমে ক্রমে এ দেশের বালকবালিকাগণ লেখাপড়া শিক্ষায় যথেষ্ট উন্নতিলাভ করিতেছে, পরবর্তী আদমসুমারী দেখিলে স্পষ্টই তাহার উপলব্ধি হইবে। বিশাপপত্তন সহর, বিমলিপত্তন, বিজয়নগর ও অনোকপল্লি জেলায় চারিট মিউনিসিপাল কার্যালয় আছে। বিশাখপত্তন সহরের উপকণ্ঠে প্রসিদ্ধ ওয়ালেয়টার বেলতরু নামক স্থান । এই স্থান প্রধানতঃ শ্বেত্বাঙ্গ সম্প্রদায়েই অধিকার করিয়া রহিয়াছেন। এস্থানের বিস্তৃতি ৩ মাইল ও জলবায়ু একান্ত স্বাস্থ্যকর। বিশাখপত্তন সহরে একটা সুবৃহৎ মিউনিসিপাল অফিস নিৰ্ম্মিত আছে। ইহার অধীন একএকট পুস্তকাগার, পাঠাগার ও স্থানীয় সমিতিব কাৰ্য্যালয়ও প্রতিষ্ঠিত রহিয়াছে। এখানে একটী বৃহৎ হাসপাতাল ও ডাক্তারখানা আছে। ইহার উন্নতিকল্পে বিক্লয় নগর এর মহারাজ পৰ্যাপ্ত অর্থসাহায্য কুরিয়া থাকেন। হাসপাতালের সন্নিকটে একটী অনাথাশ্রম ও ইহার অনতিদূরে সরকারী পাগলা-গারদ আছে। ব্যবসায় বাণিজ্যে বিমলি