পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/৩৪০

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


८लौश् [ ৩৪• ] লোঁহ ফেরসো-ফেরিক্ অক্সাইড।-সমভাগ ফেরাস এবং ফেরিক্‌ - সালফেটের দ্রাবকে আমোনিয়া মিশ্ৰিত করিয়া উত্তাপ প্রয়োগ করিলে কৃষ্ণবর্ণ অধঃস্থ হয়। উহা নাইটক্ এবং হাইড়োক্লোরিক এসিড়ে দ্রবণীয়। , ফেরিক ক্লোরাইড।—ফেরিক অক্সাইডকে হাইড়ে ক্লোরিক এসিডে দ্রবীভূত করিলে ইহা প্রস্তুত হয় ; অথবা লৌহকে হাইড্রোক্লোরিক এসিড দ্রবীভূত করিয়া, পরে উহার সহিত নাইটিক এসিড মিশ্রিত করিয়া ফুটাইলেও ফেরিক ক্লোরাইড, প্রস্তুত হইতে পারে। জলশূন্ত ফেরিক ক্লোরাইড প্রস্তুত করিতে হইলে লোহিতোক্তপ্ত লৌহের সহিত ক্লোরিণ বাষ্প সংযোগ করিতে হয় । ইছ অতিশয় জলশোষক। জলে, আলকোহলে এবং ইথারে দ্রবীভূত হয়। ফেরিক সালফেট, ।--হিরাকসের সহিত সালফিউরিক এসিড মিশ্ৰিত করিয়া এই মিশ্রণের সহিত পুনরায় নাইটিক এসিড সংযোগ করিয়া ফুটাইলে ফেরিক্ সালফেট প্রস্তুত হইবে। হাইড্রেট, কাৰ্ব্বণেট, ফফেট এবং সালফাইড ব্যতীত ফেরো-সায়ানাইড অব পোটাসিয়ামের দ্রাবকযোগে ফেরা শ্রেণীর লবণসমূহ শ্বেতবর্ণের যৌগিকরূপে অধঃস্থ হয়। বায়ুর সংযোগে উহা ক্রমে নীলবর্ণে পরিবর্ভূিত হইতে থাকে। ফেরিডসায়ানাইড অব পোটাসিয়াম্ মিশ্ৰিত করিলে গাঢ় নীলবর্ণের অধঃপতন ঘটে। ইহাকে টাৰ্ণবুল ব্লু বলে। সালফোসায়ানাইড অব পোটাসিয়ামের সহিত ফেরাস শ্রেণীর লবণদিগের কোন প্রকার পরিবর্তন দেখা যায় না । ফেরিক শ্রেণীর যৌগিকদিগের ক্ষীবাদি পদার্থের দ্বারা হাইডেট হয়। ক্ষারঘটিত সালফাইডের দ্বারা কৃষ্ণবর্ণের সালফাইড অধঃস্থ হয় এবং তাহার সহিত গন্ধক মিশ্রিত থাকে। ফেবাসে তাহ থাকে না । ফেরোসায়ানাইড অব পোটাসিয়ামেব সহিত গাঢ় নীলবর্ণ অধঃস্থ হয়। ইহাকে প্রসিয়ান ব্লু কহে। ফেরিড সায়ানাইড অব পোটাসিয়ামের সংযোগে কোন প্রকার পরিবর্তন সংঘটিত হয় না । এই লক্ষণের দ্বারা ফেরাস এবং যৌগিকদিগকে পৃথক্ করা যায়। সালফো-সায়ানাইডের সহিত গাঢ় রক্তবর্ণ উপস্থিত হইয়া থাকে। ফেরাসে তাহ হয় না । বাণিজ্য । এই ধাতুর আবিষ্কার ও ব্যবহারোপযোগিতার সঙ্গে সঙ্গেই জনসমাজে ইহার বাণিজ্য বিস্তৃত হইয়াছিল। ভারতবাসিগণ লৌহপাত্রের ব্যবহার জানিতেন । তৎকালে ভারতীয় লৌহ- | পাত্রাদি দেশান্তরে পরিচালিত ও বিক্রীত হইত কি না, তাহ জানিবার বিশেষ উপায় নাই। তবে বহু প্রাচীনকাল হইতে বৈদেশিকের সহিত ভারতবাসীর বাণিজ্যসংস্রব থাকায় অনুমান হয় যে, প্রাচীন সভ্যতার অাদর্শক্ষেত্র ভারত হইতে লৌহনিৰ্ম্মিত পাত্রানি, অথবা ইস্পাত প্রভৃতি ভারত হইতে মুদূর যুরোপথণ্ডেও রপ্তানী হইত। *: মহিমুর, সালেম প্রভৃতি দাক্ষিণাত্য প্রদেশে বহুপ্রাচীন কাল হইতে ইস্পাত প্রস্তুত হইত। তথাকার লোকে খনিজ Magnetite লৌহ গলাইয়া আঘাত সহনশীল (Malłeable) একপ্রকার নরম লোহ ঢালিয়া লইত । এখনও তথায় সেই প্রথা চলিতেছে। ঐ লৌহ শীতল হইলে তাহারা পুনঃ পুনঃ তাহাকে অগ্নিবং তপ্তোজ্জ্বল করিয়া হাতুড়ীযোগে পিটিয়া একথানি চৌকা থামি প্রস্তুত করে। ঐ থামি গুলি সাধারণতঃ ১২"x ১ × ২ পরিসরযুক্ত হইয়া থাকে। পরে ঐ খামিগুলি অগ্নিযোগে উপযুপিরি পিটিবার পর উপযুক্ত অবস্থায় আসিলে, তাহাকে খণ্ড খণ্ড করিয়া কাটিয়া লয়। অনস্তুর তাহার সেই থও গুলি বিভিন্ন মুচীতে পুরিয়া, প্রত্যেক মুচির মধ্যে লৌহপরিমাণের দশমাংশ Cassia auriculata বুক্ষের শুষ্ক কাষ্ঠথও মিশ্রিত করিয়া দেয়। মুচীতে লৌহ ও কাষ্ঠখণ্ড রাখিবার পূৰ্ব্বে ststāt argi szMH 5 #fffwr Asclepias gigantea, nosti Convolvulus laurifolia RfrR. "FRIHH etb otsi পাতিয়া তদুপরে লৌহ ও কাষ্ঠখণ্ডগুলি স্থাপনপূৰ্ব্বক উপরে আর একখানি পাতা চাপা দিয়া মুচীর মুখে মৃত্তিকার প্রলেপ দিতে হয়। পরে একটা ক্ষুদ্র চুল্লীতে ঐ মুচী স্থাপন পূৰ্ব্বক ক্রমান্বয়ে বাষ্পতাড়না করিতে হয়। আড়াই ঘণ্টাকাল এইরূপ প্রখর উত্তাপে মুচিগুলি রক্তবর্ণ হইয়া উঠিলে মুচী নামাইয় রাখে । উহা শীতল হইলে পর, মুচী ভাঙ্গিয়া তদভ্যন্তরে যে ইম্পান্তপিণ্ড থাকে তাহ বাহির করিয়া পুনরায় অগ্নিতে নিক্ষেপ করে। অতঃপর তাহারা ঐ ইস্পাতপিওকে কএক ঘণ্টা অগ্ন্যুত্তাপে রাখিয়া দেয় বটে, কিন্তু আর দ্রব হওনযোগ্য তাপদান করে না, বরং উণ্টাইয়া পাণ্টাইয়া উহার গাত্রে জাতীদ্বারা বায়ুসস্তাড়ন করিতে থাকে। এইরূপে যখন ঐ লৌহপিণ্ড যথা-প্রক্রিয়ায় ইস্পাতে পরিণত হয়, তখন তাহাকে হাতুড়ীর দ্বারা পিটিয়া ছোট ছোট ইস্পাত দণ্ডরূপে বাজারে বিক্রয়ার্থ পাঠাইয়া দেয়। দাক্ষিণাত্যে এই ইস্পাত বুৎজ’ (wootz) নামে পরিচিত। ১৭১৫ --سمجمع--سہ

  • চলিত কথার "তাওয়ান" বলে। সেক্র ৰ স্বর্ণকারগণ সোপা গলী ইবার কালে 'ধনুকা বা জাত দিয়া যেরূপ হাপোড়ের নীচে ও উপরে বেগে বায়ু সঞ্চালিত করিয়া অগ্নির তেজ প্রখর রাখে সেইরূপ।

+ কণাড়িভাষীয় উৰু পৰা ইস্পাত অৰ্থবোধক। উহা সাধারণত: 'বুন্থ ऋण ऍफ़ाब्रिए इग्र । वृङ्ग श्रेष्ठ गरज वृद् वा दूठ्ठल भश बन्नङ्गउ श्रेष्ठ