পাতা:বিশ্বকোষ ঊনবিংশ খণ্ড.djvu/৬৯৫

উইকিসংকলন থেকে
পরিভ্রমণে ঝাঁপ দিন অনুসন্ধানে ঝাঁপ দিন
এই পাতাটির মুদ্রণ সংশোধন করা প্রয়োজন।


বসন্তু ७ब्राशनंश् बिग्ङ्-न-किं वंशथि वा खांश्च वनानि श्५ भीडि সলিলে সিক্ত হইতে থাকে। বলিতে কি, বসন্ত প্রকৃতির এমনি মহিমা ! চিন্ত্ররশ্ন, চিরভঞ্জ, চিরবিবাদমগ্নেরও মনে এ কালে আর বিস্তুর হাসির ভাব ভাসাইয় উঠায়। যুবক যুবতীর ত কথাই নাই, বাসন্তী প্রকৃতির প্রমোদপ্রবর্তনায় অতি বড় বৃদ্ধ ব্যক্তিকেও আত্মহারা করিয়া তুলে । 灘。 শীতের সে কঠোর স্পর্শ নাই। গ্রীষ্মের প্রখরতারও পূর্ণ অধিকার অপ্রতিষ্ঠ। আকাশ ও দিওমগুল প্রসন্ন। দিবস নাতিশীতোষ্ণ। প্রদোষ পরম রম্য। যামিনী প্রমোদিনী । উষা মধুরহাসিনী । জল নিৰ্ম্মল। স্থল সুগম। স্থলে স্থলপদ্ম, ও জলে জলপদ্ম গ্রন্থটিত। চুতাম্বুর মুকুলিত। ক্রমদল নবোগত স্নিগ্ধ পল্লৰে উদ্ভাসিত । মধুর ঝঙ্কারে মুখরিত। মলয়াগত সুগন্ধ গন্ধবহ মন মদ প্রবাহিত। স্নিগ্ধ-মধুর তরুলতাকুল নানাজাতীয় প্রচুরতর কুহ্মভারে অবনত। কুমুমসমূহের সৌরভচ্ছটায় ধর্ম, উপবন, উন্মান আমোদিত। লতায় পাতায়, ফলে, ফুলে, মুকুলে বাসন্তী ! বনভূমি নবীন সাজে নবীন বেশে সদাই হাস্তময়ী। চন্ত্রের কৃথগ্নিগ্ধ জ্যোৎস্না, বিহঙ্গের কলকৃজন, কোকিলের কাকলী, মলয়ের মৃত্যুমন্দ হিল্লোল, কুসুমের সৌরভ, অশোকের শোকহর স্বযুম, সকলই এ কালে মনঃপ্রাণন। তাই ভারতের প্রাচীন কবির বসন্তে সকলই কান্ত, সকলই রম্য এবং সকলই সুন্দর বলিয়া বর্ণন করিয়াছেন। । এই ভারতবর্ষই বসন্ত ঋতুর মাধুরী মহিমার পূর্ণ লীলাভূমি। তাই মদনোৎসব বা বসন্তোৎসবাদি বসন্ত ঋতুর অনুগুণ অনুষ্ঠানাদি এই ভারতেই প্রথম প্রচলিত ছিল এবং কালের বশে বিলয় পাইয়াও সে উৎসব অনুষ্ঠানের সজীবতা এখনও অনেক স্থানে বিরাজমান । [ মদনমহোৎসব দেখ। ] বসন্তকালের অধিষ্ঠাতৃদেবের উৎপত্তি সম্বন্ধে পৌরাণিক উপাখ্যান এইরূপ-- বিধাতার আহবানে মন্মথ আসিয়া এক সময় তাহাকে বলিলেন, বিভো! আমি আপনার আদেশে ত্রিপুরহর হরের মোহবিধানে সমর্থ। কিন্তু কামিনীই আমার মহাস্ত্র। সেই মহাস্ত্র কামিনী আপনি স্থষ্টি করুন। আমি শভূকে সম্মোহিত করিলে, সেই কামিনী, তাহাকে পর পর আরও মুগ্ধ করিয়া রাখবে। সুতরাং হরসম্মোহনে একটা মনোহারিণী কামিনীর বিশেষ প্রয়োজন। কিন্তু যত কামিনী আছে, তাহাদের মধ্যে হরমোহিনী কামিনী আমি দেখি না। সুতরাং বিধাতঃ ! এ কর্তব্য সম্পাদনের জন্য আপনাকেই কোন উপায় বিধান করিতে हहेर७८छु । * , XVII বনস্থলী মধুকরনিকরের । [ مده J } ; $ ግ¢ جيجيجابات عديد من مدجج কলাপের কথাবসানে, কি করিয়া শঙ্কুকে সন্মোহিত যাইবে, ইহা ভাবিয়া চিন্তিয়া বিধাতা ব্যাকুল হইলেন। চিন্তা করিতে করিতে র্তাহার একটা নিশ্বাস নির্গত হইল। সেই নিশ্বাস হইতে কুসুমসমূহ-ভূষিত বসন্তের উৎপত্তি হইল । চূতাঙ্কুর, চুতকলিকা, ভ্রমরমালা এবং কিংশুক প্রভৃতি বসন্তের করে বিরাজিত। বলিতে কি, তখন বসন্তু একটা প্রফুল্প পাদপবৎ শোভিত হইল। বসন্তের আকৃতি রক্তকেকিনদনিভ, নয়নম্বর প্রফুল্ল-পঙ্কজবং সুশোভন, মুখমণ্ডল সন্ধ্যোদিত পূর্ণ শশাঙ্কের স্থায় সমুজ্জ্বল, নাসিক সুন্দর, কর্ণবিবর শখ সদৃশ, কেশকলাপ কুঞ্চিত ও খামবৰ্ণ কর্ণের দুইটা কুগুল অস্তোন্মুখ অংশুমালীর স্তায় সমুজ্জ্বল এবং বক্ষঃস্থল বিস্তীর্ণ। এতদ্বভিন্ন তাহার গতি মত্ত মাতঙ্গবৎ, ভুজম্বয় পীন স্থল ও আয়ত, করস্বয় কঠিনম্পর্শ, উরু কটি এবং জঙ্ঘ এই তিনটি স্থান সুবৃত্ত, গ্রীব কম্বুবৎ, স্কন্ধ উন্নত, জব্রুদেশ গুঢ় এবং হৃদয়দেশ পীন ও সৰ্ব্বমুলক্ষণে সম্পূর্ণ। ঐরূপ সম্পূর্ণ সুলক্ষণ সুকুমারাকৃতি বসন্তের উদ্ভব হইব মাত্র সৌরভময় বায়ু বহিতে লাগিল, ক্রমরাজি কুসুমিত হইয়া উঠিল, কলকণ্ঠ কোকিলেরা পঞ্চমে গান গাইতে লাগিল, সরোবরসমূহে স্বচ্ছ সলিল দৃষ্ট হইল এবং তাঁহাতে বহুশত শতদল ফুটিয়া উঠিল । ( কালিকাপু ৪ অঃ ) হরসম্মোহন ব্যাপারে বসন্ত কনপের কিরূপ সহায়তা করিয়াছিলেন, তৎসম্বন্ধে উক্ত পুরাণের ৭ম অধ্যায়ে লিখিত আছে মে, মদন যখন হরের ধৈর্য্যহরণে উষ্ঠত, তখন তাহার একান্তসুহৃৎ বসন্ত হরের আশ্রম ও আশ্রমের চারি দিকে কিংগুক, কেতক, বক, পুল্লাগ, নাগকেশর, মাধবী, মল্লিক, পর্ণসার ও কুরবক প্রভৃতি যতগুলি পুষ্পপাদপ ছিল, তৎসমস্তই ফুটাইয়৷ তুলিল। বসন্তের সহায়তায় সরোবরগুলি ফুরপরে উদ্ভাসিত হইল, মৃদুমন মলয়ানিল বহিতে লাগিল, তাহাতে শঙ্করের সমগ্র আশ্রম সুগন্ধময় হইয়া উঠিল, লতারাজি নূতন নুতন কুসুম ও নূতন নূতন কলিকাভরে সোহাগে ঢলিয়া পড়িয়া পার্শ্বস্ব পাদপগুলির গলা জড়াইয়া ধরিল ; তথাকার মুর, সিদ্ধ ও অন্যান্ত তাপসকুলের মন পরমামোদে পূর্ণ হইল ; কিন্তু কঠোর সংযমী হরের মন তাহাতেও টলিল না । ইত্যাদি ( কালিকাপু ৭অঃ ) বসন্তকালের কবিবৰ্ণনীয় বিষয়গুলি এই যথা— 鬱 “মুরতে দোলা-কোকিলমারুত-স্বৰ্য্যগতিতরুদলোভিয়াঃ । জাতীতরপুষ্পচয়াম্রমঞ্জরীভ্রমরঝঙ্কারঃ ” ( কবিকল্পলত ১ স্তবক ) বসন্তকালের গুণ-কৰ্যায়, মধুর ও রুক্ষ । ( রাজনি• ) হেমন্তকালে শ্লেষ্মা উপচিত হয়, বসন্তকাল আসিলে উহ